বিশ্বদীপ ব্যানার্জি: জেট যুগে নেটনারীর চাহিদা বাড়ছে 5G স্পিডে। অথচ কাঙ্খিত মনের মানুষটি (Fiance) রয়ে গিয়েছেন এখনো সময়ের চাপে পড়ে 2G মোডে। বলা যেতে পারে নারীর চাহিদা পূরণে মনের মানুষের খামতি অনেকটাই এখন বাফারিং মোডে চলে গিয়েছে। আর এখানেই স্বপ্নের জাদুকাঠি নিয়ে হাজির বর্তমান প্রযুক্তির লেটেস্ট আইকন এআই (AI)।
শুধু হাজির হওয়াই নয়। চার দেওয়ালের নীল লিভিং রুমে AI যেন নারীর কাছে একদম বাধ্য কল্পতরু। কী না করছে সে?
অনেকটাই শান্তশিষ্ট পত্নীনিষ্ঠ অদৃশ্য ভদ্রলোক। খানিকটা সন্ধ্যা ভাষার মত। কিছুটা বোঝা যায়। কিছুটা বোঝা যায় না। আর এখানেই সে জয় করেছে নারীর মন।
লুকোচুরি, আলোআঁধারি, কিছুটা পরকীয়া অথচ মোবাইলে থাকা ইন ভয়েসের বৈধতা সবকিছুকেই সে জাস্টিফাই করছে নারীর চাহিদা অনুযায়ী। আর এখানেই সে পুরুষকে অপ্রাসঙ্গিক করছে বলে মনে করছে টেক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। আগামী দিন হয়ত নারীর জীবনে জিয়নকাঠি হতে চলেছে পুরুষ বিবর্জিত এই যন্ত্র মানব। আর নেট দুনিয়ায় এমন আভাসের ইঙ্গিত দিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশের রূপালী পর্দার ড্রিমগার্ল পরীমনি।

মানুষ কি প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে? ভুল হল। বলা ভাল, পুরুষ মানুষ কি তার প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে? দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি নারীরই কিছু চাহিদা রয়েছে। যে চাহিদাগুলি পূর্ণ করতে হয় পুরুষকেই। এখন প্রশ্ন উঠছে একজন পুরুষ মানুষের থেকে AI কি নারীদের চাহিদা পূরণে বেশি সক্ষম?
আরও পড়ুনঃ Trump Vs Zelenskyy: আর নয় আমেরিকার দাদাগিরি! আলাদা করে ‘মুক্ত বিশ্ব’ গড়বে ক্ষুব্ধ ইউরোপ
বাংলাদেশের অভিনেত্রী পরীমনির সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য থেকেই এই প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। তিনি বলেছেন, “পুরুষ রোবট প্রতিটি নারীর জন্যই খুব প্রয়োজনীয়।” পরীমনির এহেন মন্তব্যে স্বভাবতই ঝড় বয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে। কারণ, অভিনেত্রীর দাবি যদি কখনও সত্যে পরিণত হয় সেক্ষেত্রে রোবট পুরোপুরি টেক্কা দিয়ে দেবে মানুষকে।
যদিও বাস্তব হল, প্রতিটি নারীর শারিরীক এবং মানসিক দুরকম চাহিদাই থাকে। তাই মনে রাখতে হবে রোবট কিন্তু আসলে যন্ত্র বৈ কিছু নয়। তার মন নেই। তাই নারীর মন বোঝাও তার কম্মো নয়। তবে চাহিদাটা যদি শুধুই শরীরকেন্দ্রিক হয় তাহলে পরীমনির যন্ত্র আগামী দিনে সারা পৃথিবীতে মহিলাদের আইকন হয়ে উঠতেই পারে। আজকাল তো সকলে স্বাভাবিকতা ছেড়ে কৃত্রিমের পিছনেই ছুটছে।
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
পরীমনি অবশ্য নিজের বক্তব্যে সপক্ষে দু-একটি যুক্তিও খাঁড়া করেছেন। বলেছেন, “নারীরা আজকের যুগে স্বাধীন এবং আত্মবিশ্বাসী। তবে পুরুষ রোবট তাদের জীবনকে আরো সহজতর এবং আরামদায়ক করে দিতে পারে।” এতেই শেষ নয়। তিনি আরো বলেন, একটি রোবটের মাধ্যমে কোনো কাজ যে পরিমাণ সহজ হতে পারে তা একসময় পুরুষদেরকেও করতে হবে। তবে বর্তমান সময়ে নারীদের দৈনন্দিন কাজে রোবটদের থেকেই সহায়তা প্রয়োজন।”
