নিউজ পোল ব্যুরো: চিকিৎসক তথা রাজনৈতিক নেতা শান্তনু সেনের (Santanu Sen) বিরুদ্ধে ওঠে বড় অভিযোগ। বৃহস্পতিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন শান্তনু। সেকারণেই তার রেজিস্ট্রেশন (Registration) সাসপেন্ড করা হল। আপাতত ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড করা থাকবে রেজিস্ট্রেশন, ফলে চিকিৎসক হিসেবে ২ বছর প্র্যাকটিস করতে পারবেন না শান্তনু সেন। দিনের পর দিন ভুয়ো ডিগ্রি ব্যবহার করে মানুষের চিকিৎসা করছিলেন, এমনই অভিযোগ ওঠে শান্তনুর বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:Gourab-Chintamani: কার মতো দেখতে মেয়ে, মুখ সামনে আনলেন গৌরব চিন্তামণি!
ভুয়ো ডিগ্রিতে চিকিৎসা করছেন এমন অভিযোগ ওঠার পর শান্তনু সেন (Santanu Sen) দাবি করেন, কাউন্সিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে তলব করেছে, কোথাও কোনও অনিয়ম হয়নি। মেডিক্যাল কাউন্সিল প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এফআরসিপি ডিগ্রি নিয়ে শান্তনু বলেছেন, এই ডিগ্রি নাকি সাম্মানিক, রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। কাউন্সিলের চিঠি পাওয়ার পর যথাযথভাবে আবেদন করে রেজিস্ট্রেশন নথিভুক্ত করার জন্য ১০ হাজার টাকা জমা করেছেন তিনি। সেই টাকাও ফেরত দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ শান্তনুর।
শান্তনু সেনের (Santanu Sen) দাবি, তার ডিগ্রি বৈধ, রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদনও করেছিলেন তিনি, এমনকি আরটিআই-ও করেছিলেন। কিন্তু কোনই উত্তর পাননি। তার দাবি, তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিএমআরডি (DMRD) তে প্রথম হয়েছিলেন, গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন। তাছাড়াও তার রেডিওলজির (Radiology) যোগ্যতাও রয়েছে সার্টিফিকেটও আছে। এরপর ২০১৯ সালে তিনি ফারসিপি করেন।
শান্তনু বলেন, “বেঙ্গল মেডিক্যাল অ্যাক্ট ১৯১৪ (Bengal Medical Act), ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল কাউন্সিল অ্যাক্ট ১৯৫৬ (Indian Medical Council Act) ধারা অনুযায়ী ডাকা হয়। আমি নাকি ফারসিপি ডিগ্রিটা রেজিস্টার করিনি, তাতে নিয়ম ভেঙেছি। প্রথম ওনারা যে ধারাগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন, তাতে বলা হয়েছে অ্যাডিশনাল ডিগ্রিগুলোকে রেজিস্ট্রার করতে হবে। কোথাও কোনও টাইম ফ্রেম দেওয়া নেই।” তার আরও দাবি, তারিখ উল্লেখ করে দেখিয়ে দিয়েছিলেন, ঠিক কবে তিনি রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তার জন্য ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি শান্তনুর। বারবার আরটিআই ও চিঠি করেও একটা চিঠিরও উত্তর দেওয়া পাননি তিনি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
তিনি বলেন, “বারবার চিঠি করেও কোনো জবাব মেলেনি, তাহলে ধরে নিতে পারি রেজিস্ট্রেশন হয়ে গিয়েছে। আমি এসে প্রমাণ করেও দিয়ে যাই, আমার দ্বারা কোনও নিয়ম ভাঙা হয়নি। তারপরও আজকে ডেকে পাঠানো হল। আমার রেডিওলজির যোগ্যতা রয়েছে। যদি অন্যায় করতাম, আমি আমার অজ্ঞতাটা মেনে নিয়ে কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে চলে যেতাম।”
