Sandeshkhali BJP workers murder:সন্দেশখালিতে তিন বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ,শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে এফআইআর!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:২০১৯ সালের লোকসভা ভোট-পরবর্তী হিংসার জেরে সন্দেশখালিতে খুন হওয়া তিন বিজেপি কর্মীর (Sandeshkhali BJP workers murder) মামলায় তদন্তভার তুলে দেওয়া হল সিবিআই-এর হাতে। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, রাজ্য পুলিশ এই মামলায় একাধিকবার ব্যর্থ হয়েছে। অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে, ফলে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব নয় বলেই মনে করেছে আদালত। সেই কারণেই সিবিআই-কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি গঠন করা হচ্ছে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/07/06/dilip-ghosh-temple-politics-statement-kharagpur-26-july-warning/

উল্লেখ্য, নিহত বিজেপি কর্মীরা (Sandeshkhali BJP workers murder) হলেন প্রদীপ মণ্ডল, দেবদাস মণ্ডল ও সুকান্ত মণ্ডল। উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে ভোটের পর তাঁদের নিজ গ্রামে হামলার শিকার হতে হয়। পরে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই খুনের পেছনে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ ও তাঁর ঘনিষ্ঠরাই যুক্ত ছিলেন।

শুরুতে এই মামলার তদন্ত শুরু করে রাজ্য পুলিশের সিআইডি শাখা। প্রথম চার্জশিটে শাহজাহানের নাম থাকলেও, পরে তা বাদ পড়ে যায় বলে দাবি পরিবারের। তাঁরা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতার নাম বাদ দিয়ে মামলাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়। এরপরই নিহতদের পরিবার কলকাতা হাইকোর্টে যান। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের এই কড়া পদক্ষেপ।

সিবিআই ইতিমধ্যেই শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। বর্তমানে তিনি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র উপর হামলার ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তার পর থেকে তিনি জেল হেফাজতেই রয়েছেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

শাহজাহানের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ—রেশন দুর্নীতি, বেআইনি সম্পত্তি দখল, যৌন হেনস্থা-সহ বিভিন্ন মামলায় তদন্ত করছে ইডি। সন্দেশখালির বহু মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন।

এই মামলায় সিবিআই তদন্ত শুরু হলে নতুন তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা প্রবল। রাজ্যে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিজেপি নেতারা বলছেন, ন্যায়বিচারের পথে এক ধাপ এগনো গেল। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্ব এই তদন্তকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলেই দাবি করছে।