Dilip Ghosh : ‘মুখ্যমন্ত্রীর যদি কিছু বলার থাকে…’ মমতার পোস্টে বড় কমেন্ট দিলীপ ঘোষের

কলকাতা রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো: দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক অবস্থানকে ঘিরে বঙ্গ রাজনীতিরে চড়ছে পারদ। বিজেপিতে কোণঠাসা বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) পদ্ম ফুল ছেড়ে কি ঘাসফুলের দিকে পা বাড়াবেন এই জল্পনা যখন তুঙ্গে সেই সময়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কমেন্ট করলেন দিলীপ ঘোষ। ঠিক কি লিখেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি?

মঙ্গলবারেই NRC নিয়ে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহারের দিনহাটার রাজবংশী সম্প্রদায়ের বাসিন্দা উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে NRC নোটিশ দেওয়া নিয়ে গর্জে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র সরকারকে নিশানা করেন। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলার বাসিন্দাকে কিভাবে NRC নোটিশ দেওয়া হতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে মমতা লেখেন, “আমি হতবাক ও অত্যন্ত বিচলিত হয়েছি জেনে যে, কোচবিহারের দিনহাটার বাসিন্দা রাজবংশী সম্প্রদায়ের উত্তম কুমার ব্রজবাসীকে অসমের ফরেনার্স ট্রাইবুনাল, এনআরসি নোটিশ জারি করেছে। গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই বাংলার বাসিন্দা। তাঁর বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও, তাঁকে “বিদেশি/অবৈধ অনুপ্রবেশকারী” সন্দেহে হয়রানি করা হচ্ছে।” এর পরেই মোদী সরকারকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “এটি আমাদের গণতন্ত্রের উপর একটি পরিকল্পিত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটিই প্রমাণ করে যে অসমে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, যেখানে তাদের কোনো ক্ষমতা বা অধিকার নেই। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ভয় দেখানো, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া এবং নিশানা করার একটি পূর্বপরিকল্পিত নোংরা চক্রান্ত চলছে। এই অসাংবিধানিক আগ্রাসন জনবিরোধী এবং এটি বিজেপির বিপজ্জনক ষড়যন্ত্রকে দিনের আলোর মত স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, গণতান্ত্রিক সুরক্ষাকে ধ্বংস করে বাংলার মানুষের পরিচয় মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি।” সেই পোস্টেই রিপ্লাই দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুন : Shamik-Dilip : শমীকের ডাকে সাড়া, এক বছর পর সল্টলেকে বিজেপির রাজ্যদপ্তরে যাচ্ছেন দিলীপ, দলে পাবেন বড়ও কোনও দায়িত্ব?

মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টের রিপ্লাই দিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) লিখেছেন, “এনআরসি একটি আইন। মুখ্যমন্ত্রীর যদি কিছু বলার থাকে, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড না করে প্রশাসনিক পথে এগোন। প্রথমত, সরাসরি অসম সরকারের সঙ্গে কথা বলুন। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ অসমে রয়েছেন। তাই, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচিত তাদের তথ্যগুলো অসম সরকারকে দেওয়া।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে তাঁর আরও সংযোজন, “এই রাজ্যের সরকার এই তথ্য দিচ্ছে না বলেই এই সমস্যা হচ্ছে। তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও সমস্যা হলে দায়ী পশ্চিমবঙ্গ সরকার।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT