নিউজ পোল ব্যুরো: বলা হয় কন্যা সন্তানরা বাবার খুব কাছের হয়। কিন্তু সেই বাবার হাতেই খুন হয়েছে মেয়ে। সমাজে সম্মান রক্ষার জন্য নিজের মেয়ে তথা টেনিস খেলোয়াড় রাধিকা যাদবকে খুন করেছে তার বাবা। পরপর গুলি চালিয়ে খুন করা হয়েছে রাধিকাকে। এবার সামনে এসেছে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে রাধিকা যাদবের বুকে চারটি গুলি করা হয়েছে। অভিযুক্ত বাবা জানিয়েছে সকলে বলেন তিনি নাকি তাঁর মেয়ের টাকায় চলেন। এই কথা সহ্য করতে না পেরে তিনি রাগে গুলি চালিয়েছেন।
সরকারি হাসপাতাল বোর্ডের সদস্য এবং সার্জন ডাঃ দীপক মাথুর রাধিকাকে চারবার গুলি করা হয়েছে। রাধিকার বুকে সমস্ত গুলির ক্ষত রয়েছে। ডাঃ মাথুর নিশ্চিত করেছেন যে গুলিগুলি শরীর থেকে সরিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখনে এখন মূল বিতর্কের বিষয় খুনি বাবার নিজের স্বীকারোক্তি নিয়ে। পুলিশের এফআইআর অনুসারে, অভিযুক্ত দীপক যাদব স্বীকার করেছেন যে তিনি তার মেয়েকে পেছন থেকে গুলি করেছিলেন। তবে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে সমস্ত গুলির চিহ্ন শরীরের সামনের দিকে রয়েছে। এই অসঙ্গতি সন্দেহভাজন ব্যক্তির বর্ণিত ঘটনার ধারাবাহিকতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করেছে এবং রাধিকার মৃত্যুর আশেপাশের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় স্তরের টেনিস খেলোয়াড় রাধিকা যাদব (২৫)- কে নিজের বাবা গুলি করে খুন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে গ্রামবাসীদের কটূক্তিতে বিরক্ত বাবা দীপক যাদব বারবার রাধিকাকে তার টেনিস একাডেমিতে যাওয়া বন্ধ করতে বলেছিলেন। তবে মেয়ে সেই কথা না মানায় চরম পদক্ষেপ নেয় অভিযুক্ত বাবা। দীপক যাদব পুলিশকে বলেছিলেন, ‘যখন আমি দুধ আনতে ওয়াজিরাবাদ গ্রামে যেতাম, তখন লোকেরা আমাকে ঠাট্টা করত, বলত যে আমি আমার মেয়ের আয় দিয়ে বেঁচে থাকি। এটা আমাকে অনেক কষ্ট দিত। কিছু লোক এমনকি আমার মেয়ের চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলত। আমি আমার মেয়েকে তার টেনিস একাডেমি বন্ধ করে দিতে বলেছিলাম, কিন্তু সে রাজি হয়নি’। সূত্র আরও জানিয়েছে যে রাধিকার সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হওয়ার আগ্রহও তার বাবাকে উত্তেজিত করে তুলেছিল।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
