Ahmedabad plane crash : বিমান দুর্ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে আনল AAIB, প্রকাশ্যে শেষ মুহূর্তে পাইলটদের ভয়ার্ত কথোপকথন

breakingnews দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: বিমান দুর্ঘটনার তদন্তকারী সংস্থা এয়ারক্রাফ্‌ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB)-এর রিপোর্টে সামনে এল আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad plane crash) ভয়ঙ্কর কারণ। AAIB ১৫ পৃষ্ঠার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী বিমান AI171-এর ৯৮ সেকেন্ডের ভয়াবহ ঘটনার কারণ উল্লেখ করেছে। উড্ডয়ন থেকে শুরু করে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীরের বাইরে বিধ্বস্ত হওয়ার মুহূর্ত পর্যন্ত, বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। সেই সঙ্গেই প্রকাশ্যে এসেছে বিমান দুর্ঘটনার ঠিক আগে শেষ মুহূর্তে পাইলটদের হাড়হিম করা কথপোকথন।

বিমান দুর্ঘটনার একমাস পর সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে বিমান উড্ডনের পর AI171-এর দুটি ইঞ্জিনই একসঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দুর্ঘটনায় প্রানহানি হয়েছে ২৬০ জনের। দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি ব্ল্যাকবক্স। সেখান থেকে ডেটা উদ্ধার করার পর পাইলটদের শেষ মুহূর্তের কথাবার্তা সামনে এসেছে। ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে AAIB-এর প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে বিমান ওড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দু’টি ইঞ্জিনই। জ্বালানির সুইচ ‘রান’ (চালু) থেকে ‘কাটঅফ’ (বন্ধ)-এ চলে এসেছিল। সেই সময়েই এক পাইলট অন্য পাইলটের কাছে জানতে চান , ‘‘কেন তুমি জ্বালানি বন্ধ করে দিলে?’’ তখন অন্য জন উত্তর দেন, ‘‘আমি কিছু বন্ধ করিনি।’’

রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ইঞ্জিন চালু করার সময়ই পাননি পাইলটরা। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আকাশে ওড়ার ছাড়পত্র পাওয়ার পর দুপুর ১:৩৮ মিনিটে রানওয়ের মাটি ছেড়ে উড়তে শুরু করে বিমানটি। AI ১৭১ ড্রিমলাইনারটি মাত্র ৩২ সেকেন্ড আকাশে ছিল। দুপুর ১:৩৮ মিনিট নাগাদ, উড্ডয়নের সময় একটি ইঞ্জিন ২৮৪ কিমি/ঘন্টা গতিতে পৌঁছে যায়। প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, পরবর্তী দুই সেকেন্ডের মধ্যে বিমানটি Vr গতি – ঘূর্ণন গতি – ২৮৭ কিমি/ঘন্টা অর্জন করে। এরপর, বিমানটি উড়ে যায়, অর্থাৎ চাকাগুলি চার সেকেন্ড পরে মাটি ছেড়ে যায়। পরবর্তী তিন সেকেন্ডে, বিমানটি সর্বোচ্চ ৩৩৪ কিমি/ঘন্টা গতিবেগ রেকর্ড করে। এর পরপরই, উভয় ইঞ্জিনই বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে বিমানটি উচ্চতা হারাতে শুরু করলে RAT (র‍্যাম এয়ার টারবাইন) চালু করা হয়। এই রিপোর্ট সামনে আসার পরেই নতুন করে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কিভাবে একসঙ্গে দুটি ইঞ্জিনই বিকল হল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুন : Radhika Yadav : টেনিস তারকা মেয়েকে খুন বাবার, রাধিকা যাদবের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ঘিরে পাকাচ্ছে জট

গত ১২ জুন অহমদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার এআই১৭১ বিমান। ওড়ার কয়েকসেকেন্ডের মধ্যে গুজরাটের অহমদাবাদে ২৪২ জন যাত্রী সহ ক্রু মেম্বারদের নিয়ে ভেঙে পড়েছিল বিমানটি (Ahmedabad plane crash)। বিপদ বুঝতে পেরে এটিসি-কে ‘মেডে’ বার্তা পাঠিয়েছিলেন বিমানের পাইলট। বলেছিলেন ‘মেডে, নো থ্রাস্ট, লুজিং পাওয়ার, আনেবল টু লিফট’ অর্থাৎ ‘ইঞ্জিনে জোর নেই, পাওয়ার চলে যাচ্ছে, উপরে তুলতে পারছি না, মেডে।’ তার পরেই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT