নিউজ পোল ব্যুরো: বিজেপির পাখির চোখ ছাব্বিশের বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। আগামী বছরে হতে চলা ভোটে জেতার জন্য রাজ্যে বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর আনাগোনা। শুক্রবারেই ছিল দুর্গাপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভা। বাংলা দখলে এবার বিজেপির ভরসা রাম নয়। নয়া পন্থা নিয়ে গেরুয়া শিবির। ভাষণের শুরুতে যেখানে প্রধানমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় নেতারা ‘জয় শ্রী রাম’ ছাড়া বক্তৃতা শুরু করতেন না সেখানে এবার এবেরে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মোদী ভাষণ শুরু করেন “জয় মা কালী, জয় মা দুর্গা” বলে। বাঙালি ভোট টানতে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই স্ট্রেটেজি কাজে লাগবে না, “একটু দেরি হয়ে গিয়েছে” বলেই কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। সঙ্গে এটাও বলললেন মা কালী ‘ধোকলা’ খান না।
তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র বাংলায় তাঁর সমাবেশে দেবী কালীকে ডাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরণের কৌশল অবলম্বন করে বাঙালি ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টায় “একটু দেরি” হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার দুর্গাপুরে এক সমাবেশে ভাষন শুরুর আগে বাংলায় জনতাকে অভিবাদন জানিয়ে “জয় শ্রী রাম” ধ্বনি থেকে সরে এসে দেবী কালী ও দুর্গাকে স্মরন করেন। এই বিষয় যে রাজনৈতিক মহলের নজর এড়ায়নি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মোদীকে সরাসরি কটাক্ষ করে মহুয়া বলেন, “বাঙালি ভোটের জন্য মা কালীকে ডাকা শুরু করতে বেশ দেরি হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি ধোকলা খান না এবং কখনও খাবেনও না।”
এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা ভালো প্রধানমন্ত্রীর জন্মস্থান গুজরাটে ধোকলা একটি জনপ্রিয় খাবার। মহুয়ার মুখে ‘ঢোকলা’র উল্লেখটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ সিঙাড়া-জিলিপি নিয়ে ‘সতর্কীকরণ’ জারি করেছে কেন্দ্র। তাই নিয়ে বেজায় চটেছেন অনেকেই। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের নেতারা। সেই আবহেই ধোকলা নিয়ে মোদীকে নিশানা করেছেন মহুয়া। মা কালী ধোকলা খান না, মহুয়ার (Mahua Moitra) এই মন্তব্য প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাংলার বেশ কয়েকটি কালী মন্দিরে, দেবীকে ভোগ হিসেবে আমিষ খাবার নিবেদন করা হয়। সেখানে চলতি বছরের শুরুতে দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কের একটি মাছ বাজারে কিছু লোককে মন্দিরের কাছাকাছি থাকার কারণে দোকান মালিকদের হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর, কৃষ্ণনগরের সাংসদ ‘ধোকলা’র ব্যবহার করেছিলেন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
