Air India: বিমানের পর এবার পাইলটদের বিপর্যয়! একসঙ্গে শতাধিক ‘সিক লিভ’ আবেদন

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: আকাশে ওড়ার স্বপ্ন যাদের ডানায়, তারাই আজ ছুটির ফর্ম হাতে। আহমেদাবাদে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) মাত্র চারদিনের মাথায় একসঙ্গে শতাধিক পাইলট (Air India) মেডিক্যাল ছুটির জন্য আবেদন করেছেন—যা রীতিমতো নাড়া দিয়েছে গোটা বিমান শিল্পকে।

আরও পড়ুন: Indonesia Bali: ‘ভালোবাসার স্বর্গ না কি সম্পর্ক ভাঙার অভিশপ্ত দ্বীপ?’ – বালি সফরে প্রেমিক যুগলের ভাঙনের রহস্য

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সংসদে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী মুরলীধর মোহল। তিনি জানান, এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) মোট ১১২ জন পাইলট—তাদের মধ্যে ৫১ জন কমান্ডার এবং ৬১ জন ফ্লাইট অফিসার—‘সিক লিভ’-এর আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন, আহমেদাবাদের মর্মান্তিক ঘটনার পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এমন একযোগে ছুটি নেওয়ার ঘটনা ভারতীয় বিমান (Air India) ইতিহাসে বিরল বললেও কম বলা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন এআই ১৭১ নামের একটি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমান বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ে। এই মডেলের বিমানকে এতদিন অন্যতম নিরাপদ ধরা হত। ২০১১ সাল থেকে পরিষেবা শুরু করা এই এয়ারক্রাফট আগে কখনও দুর্ঘটনার কবলে পড়েনি।

প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, বিমানের দুটি ফুয়েল সুইচ আচমকা ‘রান’ থেকে ‘কাটঅফ’ হয়ে গিয়েছিল, যার ফলে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় এবং অজানা কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে বিমানটি। প্রশ্ন উঠছে—এই সুইচ কেন বা কীভাবে বন্ধ হল? প্রযুক্তিগত ত্রুটি, নাকি মানবিক ভুল?

এই দুর্ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত দুর্ঘটনা নয়, এটি পাইলটদের মানসিক চাপ এবং সুরক্ষার সংকটকেও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতেই বিমান মন্ত্রক একটি নির্দেশিকায় মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছিল। কিন্তু বাস্তবে তার প্রয়োগ কতটা হয়েছে, সেই প্রশ্ন আজ আরও জোরালো।