নিউজ পোল ব্যুরো: “এবার যে সুযোগ এসেছিল, সেটা হয়তো আর কোনোদিন আসবে না…” ২৬ বছর কেটে গেল। তবে বেদনার সেই আঁচ এখনো জ্বলন্ত। কারগিল বিজয় দিবসের (Kargil Vijay Diwas) প্রাক্কালে লাদাখের (Ladakh) লামোচেন ভিউ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে চোখের সামনে টাইগার হিল, তোলোলিং, বাত্রা পয়েন্ট যেন হঠাৎই ফিরে আসে ১৯৯৯।তবে এ বছর আবেগের সঙ্গে জড়াল আরেকটা অনুভূতি—আক্ষেপ। অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) পাকিস্তানকে (Pakistan) আরও কড়া জবাব দেওয়ার সুযোগ এসেছিল, কিন্তু সেটা শেষমেশ হারিয়ে গেল।
কারগিল শহিদদের পরিবারের (Kargil Family) কণ্ঠে ফুটে উঠল সেই হতাশা“এবার যদি একটুখানি সময় পেত সেনা, তাহলে হয়তো পিওকে ফিরিয়ে আনা যেত। পাকিস্তানকে (Pakistan) শিখিয়ে দেওয়া যেত, রক্তের মূল্য কী।” সিপাহি সুনীল জাং-এর মা বীণা বলছিলেন, “আমার ছেলে গেছে, আমি চাই না অন্য কোনো মা’র কোলে এই শোক আসুক। পাকিস্তান ২৭ জনকে মেরেছে, আমাদের উচিত ছিল ২৭০০ জনকে জবাব দেওয়া। সেনা বিধবা বিদ্যা রানার গলায় স্পষ্ট ক্ষোভ, “এই অপারেশনই (Operation Sindoor) ছিল ওদের শেষ সুযোগ। এবার না শিখলে কবে?”
অনেকে সরাসরি পিওকে দখলের কথাও বলেন। শহিদ সতীশ চন্দ্র বাঘেলের ভাই ভানু বলেন, “ওরা বারবার ছোবল দেবে, আমরা বারবার মাফ করব—এটা তো চলতে পারে না। এবার জবাবটা সম্পূর্ণ হওয়া উচিত ছিল।” তবে এই আবেগের মধ্যেও কিছু গলা শোনা গেল একটু ভারসাম্যপূর্ণ। গুজরাটের শহিদ দীনেশ বাঘেলের ভাই রাজেশ বলেন, “আমাদের জওয়ানরা (Operation Sindoor) দারুণ লড়েছে। এবার ওরা কল্পনাও করবে না আমাদের দিকে তাকাতে।” প্রাক্তন মেজর জেনারেল অসীম কোহলি মনে করিয়ে দিলেন, “যুদ্ধ শুধু সেনার না। কূটনীতি, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক চাপ—সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তাই হয়তো থেমে যেতে হল।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
