নিউজ পোল ব্যুরো: সীমান্তে আরও শক্তিশালি হতে চলেছে ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনাবাহিনী ‘অল আর্মস ব্রিগেড’ গঠন করতে চলেছে যা “রুদ্র” (Rudra brigades) নামে পরিচিত হবে যার অধীনে থাকবে সমস্ত কিছুই। ২৬তম কার্গিল বিজয় দিবস উপলক্ষে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী এই ঘোষণা করেছেন।
সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন সেনাবাহিনীর দুটি ইনফ্যানট্রি ব্রিগেডকে ইতিমধ্যেই রুদ্রে রূপান্তরিত হয়েছে, যা বিশেষভাবে প্রস্তুত লজিস্টিক সহায়তা এবং যুদ্ধ সহায়তায় সাহায্য করবে। জেনারেল দ্বিবেদী বলেছেন, “আজকের ভারতীয় সেনাবাহিনী কেবল বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলি সফলভাবে মোকাবিলা করছে না বরং একটি রূপান্তরকারী, আধুনিক এবং ভবিষ্যৎমুখী বাহিনী হিসেবে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এর অধীনে, ‘রুদ্র’ নামে নতুন অল আর্মস ব্রিগেড গঠন করা হচ্ছে এবং আমি গতকাল এটি অনুমোদন করেছি। এতে ইনফ্যানট্রি, মেকানাইজড ইনফ্যানট্রি, ট্যাঙ্ক ইউনিট, আর্টিলারি, স্পেশাল ফোর্স এবং ইউএভি মতো যুদ্ধের উপাদান থাকবে, যা উপযুক্ত রসদ এবং যুদ্ধ সহায়তা দ্বারা সমর্থিত হবে।” সেনাপ্রধান বলেন, ‘‘আমি গতকাল এই রুদ্র ব্রিগেড অনুমোদন করেছি। আজকের ভারতীয় সেনা শুধু বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে না, বরং দ্রুত এগিয়ে চলেছে রূপান্তর, আধুনিকায়ন ও ভবিষ্যতমুখী লড়াইয়ের পথে।’ আধুনিকীকরণ ও রূপান্তরের দিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পদক্ষেপগুলি তুলে ধরে তিনি বলেন যে সেনাবাহিনীকে “ভবিষ্যৎমুখী বাহিনী” হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ‘অল আর্মস ব্রিগেড’ গঠন করা হচ্ছে।
একইভাবে, সীমান্তে শত্রুদের ধাক্কা দেওয়ার জন্য “রুদ্র” (Rudra brigades)-র পাশাপাশি ‘ভৈরব’ লাইট কমান্ডো ব্যাটালিয়ন নামে দ্রুত এবং মারাত্মক বিশেষ বাহিনীর ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে বলেই সেনাপ্রধান উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, “প্রতিটি ইনফ্যানট্রি ব্যাটালিয়নে এখন ড্রোন প্লাটুন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, অন্যদিকে আর্টিলারি ‘দিব্যস্ত্র ব্যাটারি’ এবং লয়েটার মিনিশন ব্যাটারির মাধ্যমে তার অগ্নিশক্তি বহুগুণ বাড়িয়েছে। সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে। এটি আমাদের বাহিনীকে বহুগুণ বৃদ্ধি করবে।” ৬-৭ মে রাতে ভারতীয় সেনা পিওকে ও পাকিস্তানে ৯টি জঙ্গি শিবিরে হামলা চালায়। সেই প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেছেন, “আমরা শুধু প্রতিশোধ নিইনি, বরং সামরিক ও কূটনৈতিক ভাবে বার্তা দিয়েছি, ভারতীয় সেনা আজ একটানা, সিদ্ধান্তমূলক ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম, সরকারের পূর্ণ সমর্থন ও দেশের আস্থাকে পাথেয় করে।”
