নিউজ পোল ব্যুরোঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্টের ঠান্ডা লড়াই চলছেই। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাকে সামনে রেখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ভারতে তৈরি ভারতের পণ্য কিনবার জন্য উৎসাহ দিচ্ছে এবং আমেরিকার হুঁশিয়ারি অগ্রাহ্য করে রাশিয়ার(russia) তেল কিনতে তৎপর রয়েছেন, তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald trump) আক্রমণের গতি মুখ বদলে রাশিয়ার দিকে নিয়ে গিয়েছেন। ২৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত জরিমানা অগ্রাহ্য করে ভারত রাশিয়ার তেল কেনার ব্যাপারে একই রকম অনমনীয় মনোভাব প্রকাশ করেছে। দৃঢ়তার সঙ্গে সদিচ্ছা প্রকাশ করেছে রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ বছরের সুসম্পর্ক বজায় রাখার ব্যাপারে। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald trump) রাশিয়ার(russia) ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেন (ukrane) আক্রমণের অপরাধকে সামনে রেখে অতিরিক্ত শুল্ক এবং জরিমানা চাপানোর ঘোষণা করছেন।
৪৭ তম দফার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প(Donald Trump) শুরু থেকেই অনেকটাই হঠকারী ভূমিকায়। ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুরের শেষের দিকে যখন পাকিস্তানের আত্মসমর্পণে ভারত সাড়া দিচ্ছে তখন নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিকে ‘পুষ্টি’ দিতে মরিয়া দাদাগিরির ভূমিকা নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প( । বললেন আমিই যুদ্ধ থামালাম। নাও ঠ্যালা সামলাও। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল মত দিলেন, এটা অনেকটা মানো না মানো,ম্যায় তেরা মেহমান। পাশাপাশি, ভারত ব্রিকস সংস্থার সঙ্গে সংযুক্তিকরণ এবং যোগদানের ক্ষেত্রে বেপরোয়া মনোভাব প্রকাশ করায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট(Donald trump) যার পর নাই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তা সত্ত্বেও ভারত তার নিজের জায়গা থেকে একচুলও সরে আসেনি।
আরও পড়ুন: Essential Medicines: রোগীদের স্বস্তি দিয়ে ৩৫টি নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম কমাল কেন্দ্র
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহল আমেরিকা প্রেসিডেন্টের এই সেটব্যাক বা পশ্চাদপসরণকে ভারতের রাজনৈতিক জয় হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি ঠান্ডা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকে এই বার্তা স্পষ্টতই একদিকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি এবং ব্রিকসের সাফল্য সুনিশ্চিত করছে। আবার সাংহাই অপারেশন অর্গানাইজেশনের এবং ব্রিকসের মত দুটি জোরালো আন্তর্জাতিক সংগঠনের ভারতের অংশগ্রহণ পাশাপাশি নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করায় বিশেষ ভাবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নিরন্তন লড়াই করার যে দৃঢ় সংকল্প যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছে। তার ফলে ট্রাম্প তার হঠকারী ভূমিকা আরও একবার নেমে পড়েছেন এবং আক্রমণের গতি মুখ সানিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন তথা রাশিয়ার বিরুদ্ধে। অনেকেই বলছেন, ভারত-রাশিয়ার এই সম্পর্কের ফলে ইউক্রেন যুদ্ধের রসদ জোগানোয় মদত জোগাবে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
