Career in Biotechnology: বায়োটেকনোলজি পড়ে বিজ্ঞানী কিংবা গবেষক? জানুন কীভাবে পৌঁছবেন সেই পথে

শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: শস্য উৎপাদন থেকে রোগ নির্ণয় আধুনিক জীবনের প্রতিটি ধাপে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়া আজ অনিবার্য। সেই প্রযুক্তির অন্যতম রূপ হল বায়োটেকনোলজি (Career in Biotechnology)। পরিবেশ, কৃষি, স্বাস্থ্য কিংবা খাদ্য উৎপাদন সব ক্ষেত্রেই এই বিষয়ের প্রয়োগ অপরিহার্য। আর সেই কারণেই পড়ুয়ারা এখন দ্বাদশের পর এই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

আরও পড়ুন:Satabdi Mitra: ১১ বছর পর দেব-শুভশ্রী এক মঞ্চে, আবেগে ভাসলেন রাজের প্রাক্তন স্ত্রী শতাব্দী!

দ্বাদশ শ্রেণিতে জীববিদ্যা, রসায়ন এবং অঙ্কে দক্ষতা থাকলে স্নাতক স্তরে বায়োটেকনোলজি (Career in Biotechnology) পড়া সম্ভব। মাল্টিডিসিপ্লিনারি বিষয় হিসাবে B.Sc এবং B.Tech উভয় ডিগ্রির কোর্স রয়েছে। কেউ কেউ আবার বেছে নিচ্ছেন পাঁচ বছরের ইন্টিগ্রেটেড প্রোগ্রামও। চলতি বছর থেকে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়েছে চার বছরের B.Sc কোর্স। গবেষণার সুযোগও মিলবে সেই সঙ্গে

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে M.Sc ও PhD কোর্স। থাকছে গবেষণার জন্য ইনস্ট্রুমেন্টেশন সুবিধাও। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইফ সায়েন্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে পড়ানো হয় M.Sc, PhD, এবং ইন্টারডিসিপ্লিনারি (interdeciplinary course) কোর্স। কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে M.Sc ও PhD ছাড়াও গবেষণার নানা সুযোগ। MAKAUT-এ রয়েছে M.Tech কোর্স, যেখানে GAT-B বা PG এন্ট্রান্স টেস্টের মাধ্যমে ভর্তি হতে হয়।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হলে ৫৭ হাজার থেকে ১ লক্ষের মধ্যে খরচ হতে পারে। তবে বেসরকারি ক্ষেত্রে তা বেড়ে ১৩ লক্ষ বা তারও বেশি। স্নাতক স্তরে CUET-এর মাধ্যমে, এবং স্নাতকোত্তরে GAT-B পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি। GAT-B উত্তীর্ণদের প্রতি মাসে ১২,০০০ ফেলোশিপ দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। PhD স্তরে BET পরীক্ষার মাধ্যমে মিলবে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ এবং গবেষণার সুযোগ।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

বায়োটেকনোলজি (Career in Biotechnology) পড়ার পরে কাজের সুযোগ রয়েছে এগ্রি-বায়োটেক, ফার্মা, জেনোমিক্স, বায়োইনফরমেটিক্সের মতো ক্ষেত্রে। DBT-এর তরফে ছ’মাসের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং-এ দেওয়া হয় স্টাইপেন্ড ও ভাতা সর্বোচ্চ ২৩,৩৫০ পর্যন্ত। এবছরের প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করার শেষ দিন: ২৪ অগস্ট।