নিউজ পোল ব্যুরো: ১৪ আগস্ট কন্যাশ্রী প্রকল্প শুরুর ১২ বছর পূর্ণ হয়েছে। কন্যাশ্রী দিবসে (Kanyashree Diwas) রাজ্য সরকারের এই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধনধান্য স্টেডিয়াম থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় কন্যাশ্রী প্রকল্পের সাফল্যের কথা ও বিশ্বের দরবারে প্রশংসা পাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। এই প্রকল্পে কতজন উপকৃত হয়েছেন সেই খতিয়ানও তুলে ধরেছেন।
২০১৩ সালে ১৪ আগস্ট চালু হয়েছিল কন্যাশ্রী প্রকল্প। লক্ষ্মীবারে ধনধান্য স্টেডিয়াম থেকে প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ৬২ টি দেশের ৫৫২ টি প্রকল্পের মধ্যে প্রথম স্থানে কন্যাশ্রী। মনে করালেন কন্যাশ্রী প্রকল্পের UN পাবলিক সার্ভিস পুরস্কার পাওয়ার কথা। নারী ক্ষমতায়ে বিশ্বের দরকারে যে এই প্রকল্প ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মুখে শোনা গেল সেই কথাও। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন কন্যাশ্রী প্রকল্প চালুর পর বর্তমানে স্কুলে ড্রপআউট শূন্য। নিজের ছোটবেলার কথা স্মরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, বলেন, “আমি যে কষ্ট পেয়েছি, ছোটরা যেন তা না পায়।”
বৃহস্পতিবার X-এর একটি পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখছেন, ‘‘আজ কন্যাশ্রী দিবস। আমাদের সকলের গর্বের কন্যাশ্রী প্রকল্প আজ ১২ বছরে পা দিল। সারা বিশ্ব জুড়ে, সারা দেশ জুড়ে, সারা বাংলা জুড়ে সকল কন্যাশ্রীদের জানাই অনেক অনেক অভিনন্দন। সমাজে মেয়েদের ক্ষমতায়ণের ক্ষেত্রে এতো অল্প সময়ে এতো বড় প্রভাব অন্য কোন সরকারি প্রকল্পের আছে বলে আমার অন্তত জানা নেই! তাইতো বিশ্বের দরবারেও এটা এতো আদৃত – ৬২টি দেশের ৫৫২টি প্রকল্পের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে United Nations Public Service Award বিজয়ী। আমি সবসময় মনে করি, যে সমাজে মেয়েরা ভালো থাকে না, সেই সমাজ কখনো ভালো থাকতে পারে না। সমাজের উন্নয়নের জন্য দরকার মেয়েদের ক্ষমতায়ন। এটা আমার গর্ব, আজ আমাদের রাজ্যে ৯৩ লক্ষের বেশি ‘কন্যাশ্রী’। এই প্রকল্পে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সাড়ে সতেরো হাজার কোটি টাকা। আমরা শুধু মুখে women empowerment এর কথা বলি না। আমরা করে দেখাই।’’
