Saswata Chatterjee on The Bengal Files: ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-এ প্রতারণা?বিস্ফোরক দাবি শাশ্বতের

পেজ 3

নিউজ পোল ব্যুরো: বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত নতুন ছবি  ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। ঘোষণার সময় ছবির নাম ছিল ‘দ্য দিল্লি ফাইলস’— বিবেকের তথাকথিত ‘ফাইলস ট্রিলজি’-র তৃতীয় অংশ। কিন্তু জুন মাসে হঠাৎ করেই ছবির নাম বদলে দেওয়া হয়। নতুন নাম ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ সামনে আসতেই শুরু হয় তীব্র আলোচনা। অনেকে অভিযোগ তোলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: Dev-Subhashree: দেব-শুভশ্রীকে নিয়ে ঋতুপর্ণ ঘোষের সেই সিক্রেট প্ল্যান!

সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া নতুন ট্রেলার ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র। প্রথমত, ছবির বিরুদ্ধে উঠছে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ। দ্বিতীয়ত, বাংলাকে ইচ্ছাকৃতভাবে কলঙ্কিত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন অনেকে। এমনকি গোপাল মুখোপাধ্যায়ের নাতি শান্তনু মুখোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই পরিচালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে নজরে এসেছেন ছবির অন্যতম অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। ট্রেলারে তাকে ধূসর চরিত্রে দেখা গিয়েছে। কিন্তু বিতর্কের ঘূর্ণিতে তাঁর নামও টেনে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শাশ্বত স্পষ্ট জানান, “শুটিংয়ের সময় ছবির নাম ছিল ‘দ্য দিল্লি ফাইলস’। কাজ শেষ হওয়ার পরেই জানতে পারি নাম পালটে দেওয়া হয়েছে। কেন বদলানো হল, সেটা আমার জানা নেই। ছবিটি না দেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।”

ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন করা হলে শাশ্বত বলেন, “এটা ইতিহাসবিদদের কাজ, অভিনেতাদের নয়। আমি শুধু আমার চরিত্রে অভিনয় করেছি। আজকাল সিনেমার পূর্ণাঙ্গ কাহিনি অভিনেতাদের জানানো হয় না। শুধু চরিত্রের ট্র্যাক বোঝানো হয়। আমায় যখন এই চরিত্র দেওয়া হয়েছিল, তখন মনে হয়েছিল এটি অভিনয়ের জন্য দুর্দান্ত সুযোগ— বিশেষত ভিলেনের ভূমিকায়।” রাজনীতির আবহে সিনেমাকে প্রোপাগান্ডার হাতিয়ার বানানো নতুন নয়। অতীতেও বলিউডে একাধিক ছবি মুক্তি পেয়েছে, যেগুলো নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই আইনি জটিলতাও তৈরি হয়েছে। ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিয়েও একই অভিযোগ উঠছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole

এখন প্রশ্ন উঠছে, যদি সত্যিই অভিনেতাদের অন্ধকারে রেখে ছবির নাম পালটে দেওয়া হয়ে থাকে, তবে কি শাশ্বত ও অন্যান্য শিল্পীরা প্রতারণার শিকার? বিতর্কের পারদ চড়তেই এই প্রশ্নেই সরব হচ্ছে বাংলার সাংস্কৃতিক মহল।