নিউজ পোল ব্যুরো: তিন বছরের বিরতির পর অবশেষে ভারত সফরে এলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি দিল্লিতে(Delhi) ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শংকরের(Jaishankar) সঙ্গে বৈঠক করেন। এর পর তাঁর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(PM Narenda Modi) সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার সম্ভাবনা রয়েছে। কেবলমাত্র সৌজন্য বৈঠক নয়, বরং এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Trump Praise Zelenskyy Suit: হাজার দিনের যুদ্ধের পর কূটনীতির মঞ্চে জেলেনস্কির কামব্যাক
গত কয়েক বছর ধরে ভারত-চিন(India-China) সম্পর্কের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। ২০২০ সালে গালোয়ান সংঘর্ষে দুই দেশের সম্পর্ক কার্যত ভেঙে পড়েছিল। সীমান্ত বিরোধ, লাদাখ ও অরুণাচল প্রদেশের উত্তেজনা এবং ভারত মহাসাগরে চিনের সক্রিয়তা, সব মিলিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশ দূরে সরে গিয়েছিল। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দুই পক্ষকেই নতুন করে চিন্তা করতে বাধ্য করছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনীতিতে আমেরিকার কড়া অবস্থান বিশেষত ট্রাম্প(Trump) প্রশাসনের শুল্কনীতি, এশিয়ার সমীকরণকে পাল্টে দিয়েছে। এ অবস্থায় দিল্লি(Delhi) ও বেজিং দু’পক্ষই বুঝতে পারছে যে, দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া ছাড়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়। তাই ওয়াং ই-র ভারত সফর এবং আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির(PM Narenda Modi) তাইনজিন সফরকে একটি যুগ্ম কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই সফরের মূল ফোকাস হতে পারে সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠা। দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলির শান্তিপূর্ণ সমাধানের ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই দুই দেশের বক্তব্যে স্পষ্ট। ভারত ও চিনের(India-China) এই নতুন উষ্ণতা কেবল দুই দেশের সম্পর্কই নয়, গোটা এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
ফলত, প্রশ্ন উঠছে অদূর ভবিষ্যতে কি আমরা সত্যিই দেখতে যাচ্ছি হাতি ও ড্রাগনের একসাথে নাচ?
