India Venezuela oil deal:ইরানের বদলে ভেনিজ়ুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: বড় ঘোষণা ট্রাম্পের!

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো:ভারতের জ্বালানি নীতিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন থেকে ফ্লোরিডার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত ইরানের পরিবর্তে ভেনিজ়ুয়েলা থেকে তেল (India Venezuela oil deal) কেনার পথে এগোচ্ছে এবং এই বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি পর্যায়ের আলোচনা ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/02/01/mamata-banerjee-attacks-centre-union-budget-bengal-deprived-humpty-dumpty-budget/

ট্রাম্পের কথায়, “চিনকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি, তারা এসে তেল নিয়ে চুক্তি করবে। ইতিমধ্যেই একটি চুক্তি হয়েছে। ভারত আসছে। ইরানের বদলে ভেনিজ়ুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত — সেই মতো আলোচনা হয়েছে।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে, ওয়াশিংটন ভারতকে বিকল্প জ্বালানি উৎসের দিকে নিয়ে যেতে কৌশলগত ভূমিকা নিতে চাইছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, আমেরিকা ভারতের কাছে ভেনিজ়ুয়েলা থেকে তেল কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। একইসঙ্গে জানা যাচ্ছে, ভারত ইতিমধ্যেই রাশিয়া থেকে তেল আমদানির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে সেই নির্ভরতা আরও কমানোর ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় শিল্প ও খনিজ তেল মন্ত্রী পীযূষ গয়ালও সম্প্রতি ভারত–আমেরিকা জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttps://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই পুরো প্রসঙ্গে দিল্লির তরফে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে ট্রাম্পের বক্তব্যকে কূটনৈতিক বার্তা, নাকি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত — তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

বিশ্বের বৃহত্তম তেল (India Venezuela oil deal) মজুতধারী দেশগুলির মধ্যে অন্যতম ভেনিজ়ুয়েলা। সেই কারণে ভারতের মতো দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির জন্য এটি একটি কৌশলগত বিকল্প উৎস হতে পারে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ইরান ও রাশিয়ার বিকল্প উৎস বাড়ানো মানে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও বহুমুখী করা।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের বক্তব্যে চীনের প্রসঙ্গ উঠে আসায় স্পষ্ট, ওয়াশিংটন এ অঞ্চলে বেইজিংয়ের জ্বালানি বিনিয়োগের দিকেও নজর রাখছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার পাশাপাশি জ্বালানি ভূ-রাজনীতিতেও প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে আমেরিকা।

সব মিলিয়ে, এই মন্তব্য শুধু তেল চুক্তির সম্ভাবনার খবর নয়, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতি, জ্বালানি বাজার ও ভারত–আমেরিকা সম্পর্কের নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করছে। এখন নজর দিল্লির দিকে — সরকারিভাবে কী অবস্থান নেয় ভারত, সেটাই ঠিক করবে এই ঘোষণার বাস্তব রূপ কতটা।