Delhi Justice: জাস্টিস বিপুল পাঞ্চোলির নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টে

দেশ

কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টে(supreme court) দুজন নতুন বিচারকের নিয়োগ নিশ্চিত করেছে। একজন বম্বে হাই কোর্টের চিফ জাস্টিস অ্যালোক আড়াধে এবং অপরজন পাটনা হাই কোর্টের চিফ জাস্টিস বিপুল এম. পাঞ্চলি (justice Bipul Pancholi)। এই নিযুক্তির মাধ্যমে আদালত পূর্ণ সংখ্যায় অর্থাৎ ৩৪ জন বিচারক নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম চালাতে পারবে ।

আরও পড়ুন: Justice Sanjeev Singh: দিল্লী ফের সরগরম-বিচারপতি বরখাস্ত

কিন্তু বিরোধীদের মতে এই নিয়োগ অনেকটাই পক্ষপাত দুষ্ট। তাঁদের মতে, গুজরাট থেকে পরপর তিনজন জাস্টিস নিয়োগের ফলে ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় আস্থার ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সুপ্রীম কোর্টের কলেজিয়ামের একমাত্র মহিলা বিচারপতি, বি. ভি. নাগারথুনা , পাঞ্চলির নিয়োগে দৃঢ় বিরোধিতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই পদ উন্নয়ন প্রশাসনের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এবং ন্যায়বিচার ব্যবস্থায় আস্থার বিকৃতি ঘটাতে পারে । তাঁদের অভিযোগ ছিল:
পাঞ্চলি অভিজ্ঞতার নিরিখে ৫৭তম (All-India seniority list),অথচ অনেক প্রার্থীর চেয়ে অনেকেই বেশি যোগ্য ও অভিজ্ঞ । একই সাথে অভিযোগ উঠেছে যে,গুজরাট হাইকোর্ট থেকে তিনজন বিচারক সুপ্রিম কোর্টে থাকায় আঞ্চলিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হবে ।

তাঁর ভবিষ্যতের সম্ভাব্য চিফ জাস্টিসের মেয়াদ (অক্টোবর ২০২১ থেকে মে ২০২৩) প্রতিষ্ঠানকে উপকার না করে ক্ষতিই করবে বলে বি ভি নাগারথুনা আশঙ্কা প্রকাশ করেন । এই নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছতার সমস্যা এবং গুজরাটকে পক্ষপাতের এই দৃষ্টান্ত সংসদীয় ব্যবস্থার পক্ষে সুখকর নয় বলে অভিজ্ঞমহলের আশঙ্কা।
এ পর্যন্ত যতদূর জানা গেছে, কলেজিয়াম ৪–১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাঞ্চলির নাম সুপারিশ করেছিল, এবং কেন্দ্র তা মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অনুমোদন করে সম্মানসূচক গতি দেখায় । তবে এই দ্রুত গতি এবং বিরোধী মত প্রকাশ সমেত নির্দিষ্ট কারণ ও তথ্য প্রকাশ না করায় স্বচ্ছতার ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হয়েছে—যা CJAR (Campaign for Judicial Accountability and Reforms) সহ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

এই নিয়োগ এবং তাঁর ভবিষ্যৎ সুবিধা যেটা হতে পারে তা হল চিফ জাস্টিস অব ইন্ডিয়া (CJI)-র সম্ভাব্য দায়িত্বভার পাওয়ার সম্ভাবনা বি পাঞ্চলির জন্য অনেকটাই বেড়ে গেল।
মোদ্দা কথা, বি পাঞ্চলি(justice Bipul Pancholi) সুপ্রিম কোর্টে(supreme court) নিয়োগ পেয়েছেন, যা আদালতের পূর্ণ কার্যদক্ষতা নিশ্চিত করবে। একথা যেমন সত্য। পাশাপাশি এই নিয়োগের যে বিরোধিতায় পূর্ণ ও স্বচ্ছতার ঘাটতি প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিকতার ঘাটতিকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করে দিয়েছে।