নিউজ পোল ব্যুরো: এক টোটো চালকের উপর হওয়া আক্রমণের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন মহিলা যাত্রী। ঘটনায় উঠে এসেছে গুরুতর অভিযোগ—(Kestopur Incident)। অভিযোগকারিণীর দাবি, পুলিশের ভূমিকা ছিল নিষ্ক্রিয়, ফলে ঘটনার পরও দোষীরা শাস্তি এড়িয়ে গিয়েছে।
কেষ্টপুরের বাসিন্দা পারুল সরকার জানান, বুধবার রাতের দিকে তিনি বাগুইআটি থানার কাছ থেকে একটি টোটোতে (Toto Driver) উঠে তেঘরিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। গন্তব্যে পৌঁছে টোটো থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই এক মহিলা ও এক নাবালক স্কুটিতে এসে ওই টোটোচালককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং পরে শারীরিকভাবে আক্রমণ (Physical Assault) করে। হঠাৎ এমন দৃশ্য দেখে পারুল দেবী প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় তাকেও লক্ষ্য করে গালিগালাজ করা হয়। এমনকি তাঁর সঙ্গে শ্লীলতাহানির চেষ্টা (Molestation) করা হয়। স্থানীয়রা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে খবর পেয়ে বাগুইআটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং অভিযুক্ত মহিলা ও তাঁর ছেলেকে থানায় নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: Dev: “খাদান-ধূমকেতুর সাফল্যের পর রঘু ডাকাত: দেবের সিনেমা এখন বাংলার উৎসব”
পারুল সরকার নিজেও থানায় পৌঁছে লিখিত অভিযোগ (FIR) দায়ের করেন। কিন্তু এখানেই শুরু নতুন বিতর্ক। তাঁর অভিযোগ, অভিযোগ দায়েরের পরও পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, পারুল দেবীর অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই একটি এফআইআর (First Information Report) রেজিস্টার করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত মহিলা ও তাঁর নাবালক সন্তানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা (Legal Action) নেওয়া হচ্ছে। তবে ঘটনার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে (Police Inaction) প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
মানুষের বক্তব্য, নারী নির্যাতন (Violence Against Women) এবং প্রকাশ্যে এক টোটো চালকের উপর হামলার মতো ঘটনায় পুলিশ যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? বর্তমানে গোটা এলাকায় এই ঘটনার চর্চা চলছে এবং প্রতিবাদী মহিলার পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় অনেকেই।
