RG Kar case Kolkata:আরজি কর কাণ্ড: দেবাশিস–আসফাকুল্লা সহ তিন চিকিৎসককে হাজিরার নির্দেশ পুলিশের!

রাজ্য

 

নিউজ পোল ব্যুরো:আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar case Kolkata) ডাঃ আসফাকুল্লা নাইয়া, ডাঃ দেবাশিস হালদার এবং ডাঃ অর্ণব মুখোপাধ্যায় সহ তিন চিকিৎসককে হাজিরার নির্দেশ পুলিশের!গত বছরের ১৪ অক্টোবরের ঘটনাকে ঘিরে ফের সরব হল কলকাতা পুলিশ। হেয়ার স্ট্রিট থানায় তলব করা হয়েছে আরজি কর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তিন চিকিৎসককে।অভিযোগ, পুলিশি অনুমতি না নিয়েই ওই দিন শহরে মিছিলের আয়োজন করেছিলেন তাঁরা।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/09/07/wbssc-9-10-teacher-recruitment-exam-2024-peacefully-conducted/

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ করে চিকিৎসক দেবাশিস হালদারকে ইতিমধ্যেই চারবার সমন পাঠানো হয়েছে। তাঁকে আগামী ৯ এবং ১১ সেপ্টেম্বর নির্দিষ্ট দিনে থানায় হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য দুই চিকিৎসককেও তদন্তের স্বার্থে ডাকা হয়েছে। পুলিশের দাবি, অনুমতি ছাড়া মিছিল করার ফলে আইন ভঙ্গ হয়েছে। ফলে কেন এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সেই ব্যাখ্যাই মূলত জানতে চাওয়া হচ্ছে।

এর আগেও, গত ৮ অক্টোবর কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের আয়োজনের অভিযোগে সিনিয়র চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী ও মানস গুমটাকে হাজিরার নোটিস দিয়েছিল পুলিশ। সেবারও অভিযোগ ছিল অনুমতি ছাড়া মিছিল আয়োজনের। সেই মামলার ধারাবাহিকতাতেই এবার নতুন করে তিন চিকিৎসককে নোটিস দেওয়া হয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

অন্যদিকে, আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar case Kolkata) প্রতিবাদী চিকিৎসকদের অভিযোগ, তাঁদের বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা রচনার মাধ্যমে আন্দোলন দমনে মরিয়া হয়েছে পুলিশ। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি, এফআইআর-এ জামিন অযোগ্য ধারা এবং এমনকি মহিলা পুলিশের শ্লীলতাহানির মতো অভিযোগ পর্যন্ত ইচ্ছাকৃতভাবে যুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, “আমাদের আন্দোলন ছিল শান্তিপূর্ণ। হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের ওপর আক্রমণ প্রতিরোধ করাই ছিল মিছিলের মূল উদ্দেশ্য। অথচ প্রশাসন নানাভাবে আমাদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে।”

প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে গত বছর অক্টোবর থেকে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে। হাসপাতালের ভিতরে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, চিকিৎসকদের উপর আক্রমণ প্রতিরোধ করা এবং চিকিৎসা পরিকাঠামোর উন্নতি ঘটানো ছিল আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য।

চিকিৎসক মহলের মতে, পুলিশের ধারাবাহিক সমন ও মামলার নোটিস কার্যত প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করে আন্দোলনের শক্তি ভাঙার কৌশল। যদিও আন্দোলনকারীদের দাবি, “সুরক্ষা ও অধিকার নিয়ে লড়াই কোনও অবস্থাতেই দমিয়ে রাখা যাবে না।”