Debleena Kumar : ‘লক্ষ্মী মেয়েদের লক্ষ্মীপুজো’, নাচের স্কুলের ছাত্রীদের সঙ্গে দেবলীনা কুমারের জমজমাট পুজোপ্রস্তুতি

পেজ 3

নিউজ পোল ব্যুরো: প্রতি বছর লক্ষ্মীপুজো মানেই এক আলাদা উজ্জ্বলতা নিয়ে হাজির হন অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার (Debleena Kumar)। ধনদেবীর আরাধনায় তিনি যেন নিজেই রূপ নেন মা লক্ষ্মীর (Goddess Lakshmi) অবতারে। একদিকে শ্বশুরবাড়ির পুজোর আয়োজন, অন্যদিকে তার নাচের স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে  উৎসবে মেতে ওঠেন দেবলীনা এই দৃশ্য এখন প্রায় প্রত্যেক বছরের চেনা ছবি (Lakshmi Puja Celebration)।

পনেরো বছর ধরে এই ঐতিহ্য বজায় রেখেছেন তিনি। ঠাকুর আনা (bringing idol in lorry) থেকে শুরু করে নিজে হাতে নাড়ু (Naru making), পায়েস (Payesh recipe), এমনকি ঠাকুর সাজানো—সবই করেন নিজের হাতে। সোনালি রঙের শাড়ি, ঐতিহ্যবাহী গয়না, কপালে টিপ এই সাজে দেবলীনা যেন বাস্তবের লক্ষ্মী। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মা লক্ষ্মীকে ঘরে আনার মুহূর্তটি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media Post) তিনি লিখেছেন, “লক্ষ্মী মেয়েদের লক্ষ্মীপুজো”—আর এই বাক্যেই যেন মিশে আছে তার আনন্দ ও গর্ব।

 

পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে একদিন আগে থেকেই। কার্নিভাল (Carnival) শেষ করেই রান্নাঘরে ব্যস্ত হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। পাঁচ লিটার দুধে পায়েস বানিয়ে ফেলেছেন আগেভাগে। সঙ্গে লুচি, ছোলার ডাল, ছানার ডালনা, পোলাও, সন্দেশ, নারকেল নাড়ুর (Traditional Bengali Food) এলাহি আয়োজন। দেবলীনা বলেন, “এই দিনটা আমার কাছে শুধু পুজো নয়, এটা আমাদের পরিবারের ঐতিহ্য। সবাই মিলে আনন্দ ভাগ করে নেওয়াটাই আসল।”

আরও পড়ুন: Weather update : লক্ষ্মীপুজোর দিন বৃষ্টি নাকি পরিষ্কার আকাশ? রাজ্যের আবহাওয়া দফতর কী জানাচ্ছে

দু’টি বাড়ির পুজো একসঙ্গে সামলানো যে সহজ নয়, তা সবারই জানা। তবুও প্রতি বছরই দিনভর উপোস (Fasting Ritual) থেকে শুরু করে অতিথিদের আপ্যায়ন, পুজোর নিয়মকানুন, সব কিছুই হাসিমুখে সামলান দেবলীনা। এমনকি নাচের স্কুলের (Dance School) ছাত্রছাত্রীদের নিয়েও পালন করেন ছোট্ট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (Cultural Event)।

এ বছরও যে সেই ব্যস্ততা, সেই উচ্ছ্বাস দেখা যাবে অভিনেত্রীর মধ্যে, তা বলাই বাহুল্য। দেবলীনার এই আত্মনিবেদিত পুজো আয়োজন শুধু তার অনুরাগীদের নয়, পুরো সোশ্যাল মিডিয়া জগতের কাছেও এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। #LakshmiPuja #DebleenaKumar #BengaliTradition #FestivalVibes  এই হ্যাশট্যাগগুলিতেই যেন বন্দি তার পুজোর আনন্দ, নিষ্ঠা ও বাঙালিয়ানার আবেগ।