নিউজ পোল ব্যুরো: ৬০ কোটি টাকার (Fraud Case) মামলায় ফের আলোচনায় বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। মুম্বই পুলিশের ইকনমিক অফেন্সেস উইং (Mumbai Police Economic Offences Wing – EOW) তাঁর বয়ান রেকর্ড করেছে। জানা গিয়েছে, অভিনেত্রীর স্বামী ও ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রার (Raj Kundra) নামও রয়েছে এই প্রতারণা মামলার তালিকায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, শিল্পা শেঠিকে প্রায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ধরে তাঁর মুম্বইয়ের বাড়িতে বসেই জেরা করে ইওডব্লিউ টিম। ওই সময় তার বিজ্ঞাপন সংস্থার (Advertising Agency) একাধিক আর্থিক লেনদেন ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (Bank Account) সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। শিল্পা নাকি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি (Documents) জমা দেন, যেগুলি এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা তার সংস্থার প্রতিটি লেনদেন (Financial Transaction) ও ভূমিকা যাচাই করছেন।
আরও পড়ুন:Calcutta University: উপাচার্যের কুর্সিতে পালাবদল, শান্তার পর আশুতোষের যাত্রা শুরু
উল্লেখ্য, তাদের বিরুদ্ধে (Look Out Notice) জারি রয়েছে। এই নোটিশ স্থগিতের আবেদন নিয়ে সম্প্রতি তাঁরা বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আসলে ২ থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে পরিবারের সঙ্গে ফুকেতে (Phuket Trip) যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল এই সেলেব দম্পতির। তবে আদালত তাদের বিদেশযাত্রার (Foreign Travel) আবেদন খারিজ করে দেয়। সরকারি কৌঁসুলির বক্তব্য, রাজ কুন্দ্রা ও শিল্পা শেঠির বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অপরাধের (Financial Crime) মামলা রয়েছে এবং এখনও দুটি মামলা বিচারাধীন। ফলে তদন্ত চলাকালীন বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। যদিও শিল্পা ও রাজের দাবি, এই মামলাগুলি বহু পুরনো এবং কুন্দ্রা নিয়মিত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন।

মূল অভিযোগ অনুযায়ী, শিল্পা ও রাজ কুন্দ্রা মিলে মোট ৬০.০৪ কোটি টাকার (₹60.04 Crore Scam) প্রতারণা করেছেন। অভিযোগকারী দীপক কোঠারি (Deepak Kothari), যিনি ‘Lotus Capital Finance Services’ নামে এক নন-ব্যাঙ্কিং ফাইনান্স কোম্পানির (NBFC) পরিচালক। তাঁর দাবি, রাজ ও শিল্পার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন রাজেশ আর্যা (Rajesh Arya) নামে এক ব্যক্তি। সেই সময় রাজ ও শিল্পা ছিলেন ‘Best Deal TV Private Limited’-এর পরিচালক—যা একটি হোম শপিং ও অনলাইন রিটেল সংস্থা (Home Shopping & Online Retail Company)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
অভিযোগ, তাদের সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ৭৫ কোটি টাকার ঋণ (Loan) চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেটিকে ‘Investment’ বা বিনিয়োগ হিসেবে দেখানো হয় কর ফাঁকির (Tax Evasion) উদ্দেশ্যে। ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেওয়া এই টাকা সংস্থার কাজে নয়, বরং ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ‘Best Deal TV’ বন্ধ হয়ে গেছে এবং এই সংস্থাকে কেন্দ্র করেই চলছে জোর তদন্ত (Investigation Underway)।
