Bangladeshi Arrest: বাংলায় লাগাতার বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার

breakingnews অপরাধ আইন আন্তর্জাতিক

নিউজ পোল বাংলাঃ চার বাংলাদেশীকে(Bangladeshi)গ্রেফতার করলো রানীনগর থানার পুলিশ।
মুর্শিদাবাদ জেলার রানীনগরে ফের গ্রেফতার বাংলাদেশী। রানীনগর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিনগর- ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের হারুডাঙ্গা এলাকা থেকে চার জন বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করে। চার জনের ভারতে বসবাসের বৈধ কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে এই গ্রেফতার বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সুত্র অনুসারে , ধৃতের নাম তারিকুল ইসলাম (৩০)। বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার সাহারাগাছি গ্রামে। মহঃ জাসিমুদ্দিন (২৬), বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার সাহারাগাছি গ্রামে। নুর ইসলাম (৩৬), বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার সাহারাগাছি গ্রামে। মহঃ রবিউল ইসলাম (২৫), বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী থানার সাহারাগাছি গ্রামে। বুধবার রাতে রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বিদ্যুৎ সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিনগর- ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের হারুডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ চার জনকে আটক করে। তাদের কাছে বৈধ ভারতীয় কাগজ পত্র দেখতে চায়। ভারতীয় বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে না পারায় চারজন গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করে তারা বাংলাদেশী। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিদেশী আইন ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। ধৃতদের বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায় তোলা হয়েছে। ঠিক কি কারণে বাংলাদেশ থেকে অ নুপ্রবেশ করে মুর্শিদাবাদের রানীনগরে এসেছিল। এছাড়া এদের কি উদ্দেশ্য ছিল তার তদন্ত করে দেখছে রানীনগর থানার পুলিশ।
[আরও পড়ুন]  https://thenewspole.com/2025/10/09/british-
বস্তুত, ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের (Bangladeshi)সীমান্তে অনুপ্রবেশের সমস্যা নতুন নয়। কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, ২৪ পরগণা — যেখানে বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে রয়েছে সেখানে বেশি প্রকট এই অনুপ্রবেশের সমস্যা। বাংলা, আসাম ও ত্রিপুরায় ভাষাগত ভেদ না থাকার জন্য খুব সহজেই একবার এই রাজ্যে এসে পড়তে পারলে জনারণ্যে মিশে থাকা সহজ হয়। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, ভারতে বিদেশী অনুপ্রবেশকারী আটকাতে যেমন রয়েছে কড়া আইন, তেমনি রয়েছে ভারতের বিভিন্ন গোয়েন্দা দপ্তর। এর সঙ্গে রয়েছে এসএসবি (সসবি) সীমান্ত সুরক্ষা বলের জওয়ান। কাঁটাতার সর্বত্র না থাকার জন্য, কিংবা একশ্রেণীর আধিকারিককে ঘুষ দিয়ে এপারে চলে আসেন বেশ কিছু বাংলাদেশী। তারপরে এখানকার আইনি কাগজপত্র তৈরি করে মিশে যায় বাংলার মানুষের সঙ্গে। সে সব দেখা ভারতের গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্ব। কিন্তু বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেঁড়োয় সব দফতরের ব্যর্থতায় এই অনুপ্রবেশের সমস্যা। প্রশাসনিক এই ব্যর্থতার মধ্যেও বাংলার সীমান্ত এলাকায় মাঝেমধ্যেই ধরা পড়ছে বেশ কিছু বাংলাদেশী(Bangladeshi)অনুপ্রবেশকারী। সান্ত্বনা এটাই।