নিউজ পোল ব্যুরো: নিশ্চিত গন্তব্য না পেরোতেই মাঝ আকাশে বিপদ! এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) বহুল ব্যবহৃত বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমানের একের পর এক প্রযুক্তিগত ত্রুটি নিয়ে এবার সরব হল দেশের পাইলট সমাজ। ভিয়েনা, বার্মিংহাম থেকে শুরু করে আহমেদাবাদ (Ahmedabad) বারবার অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে যাত্রীরা। কিন্তু এমন দুর্ঘটনা যদি আরেকবার ঘটে এবং তা বড় আকার নেয়, তখন কী হবে? ঠিক এই প্রশ্ন তুলে বোয়িং ৭৮৭ বিমানের সব উড়ান অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান পাইলটস (FIP)।
আরও পড়ুন: Pakistan: “আমরা কুরবানির জন্য এসেছি”, টিএলপির হুঙ্কার, পুলিশের গুলিতে নিহত ১১
ভিয়েনা-দিল্লি এআই-১৫৪ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে, মাঝ আকাশে ভেঙে পড়ে একাধিক সিস্টেম—অটোপাইলট, ফ্লাইট ডিরেক্টর, ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (ILS) এবং অটোল্যান্ড সিস্টেম। বাধ্য হয়ে দুবাইয়ে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি (Air India)। এর ঠিক ক’দিন আগেই, বার্মিংহামে এআই-১১৭-তে সক্রিয় হয়ে পড়ে ‘র্যাম এয়ার টারবাইন’ বা RAT— যা সাধারণত পুরো সিস্টেম ব্যর্থ হলে সক্রিয় হয়। এই পরপর ঘটনাগুলি কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়, সংগঠনের দাবি অনুযায়ী, এটি এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার ফল।
সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে ১২ জুন, যখন আহমেদাবাদ থেকে উড়াল নেওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এআই-১৭১ ফ্লাইট দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং প্রাণ হারান ২৬০ জন যাত্রী। সেই ঘটনার পরও, যথাযথ তদন্ত ও কারিগরি অডিট না করেই ফের নিয়মিত চলছে ড্রিমলাইনারের উড়ান যা একেবারেই মেনে নিতে নারাজ পাইলট সংগঠন।
সরকারকে পাঠানো চিঠিতে FIP জানিয়েছে, “দিন দিন বৈদ্যুতিন ত্রুটির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এসব উপেক্ষা করে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে আপস করা মানে বিপদকে আমন্ত্রণ জানানো।” তাদের অনুরোধ, অবিলম্বে সমস্ত বোয়িং ৭৮৭-এর ফ্লাইট বন্ধ করে, প্রতিটি বিমানের বিশেষ DGCA অডিট করানো হোক। তবে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) পাল্টা দাবি, “দু’টি ঘটনারই মোকাবিলা পেশাদারভাবে হয়েছে। যাত্রীদের কোনও সময় নিরাপত্তার বাইরে নেওয়া হয়নি।” সংস্থার দাবি অনুযায়ী, RAT-এর অনাকাঙ্ক্ষিত সক্রিয়তা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও দেখা যায় এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়নি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
