নিউজ পোল ব্যুরো: বিশেষজ্ঞদের মতে,অপরাধ জগতের অন্যতম বড় ঘটনার সামনে আসা কিছু সময়ের অপেক্ষা।খনন চলছে চারদিন ধরে। চলবে হয়তো আরও দু’চারদিন কিংবা তারও বেশি। আর এই খনন কাজ চলছে খোদ উচ্চ ন্যায়ালয়ের নির্দেশে।সাক্ষ্যগ্রহণ ও সাক্ষ্যদাতা সুরক্ষা আইন মোতাবেক সাক্ষ্যদাতার সারা শরীর কালো কাপড়ে ঢাকা, এমনকি উপায় নেই চোখ দেখারও। আর এভাবেই সাক্ষ্যদাতার উপস্থিতিতে খোঁড়া হচ্ছে মাটি। উঠে আসছে প্যান কার্ড, লাল কাপড়ের টুকরো। কিন্তু কোথায় লাশ, কোথায় কঙ্কাল (Karnataka Crime Story)?
আরও পড়ুন: Malda Ganja Seizure:স্টেশনে ট্রলি ব্যাগ থেকে গাঁজা উদ্ধার, গ্রেফতার ২
প্রথম দুদিন খালি হাত। অনেকেই সুর পাল্টে সাক্ষ্যদাতার মানসিক স্থিতি সম্পর্কেই সন্দেহ প্রকাশ করা শুরু করে দিয়েছিলেন। অবশেষে তৃতীয় দিনের শেষে একটি কঙ্কালের অবশিষ্ট অংশ পাওয়া গেল। নড়েচড়ে বসলেন প্রশাসনিক কর্তারা। সাধারণ মানুষকে এগিয়ে এসে পুরনো নিরুদ্দেশ মানুষ বিশেষ করে মহিলাদের — যাদের দীর্ঘ বছর ধরে কোন খবর নেই।
লোকটি ২৪ বছর আগে তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী হিসাবে কাজে যোগ দেয় একটি ধর্মীয় সংস্থার অধীনে। সংস্থাটি হিন্দুদের হলেও পরিচালকের ভূমিকায় জৈনদের সংখ্যাই বেশী। এবং তারা এতটাই শক্তিশালী যে হিন্দি সিনেমার মোগাম্বরাও লজ্জা পেয়ে যাবে। তারা নাকি গব্বর সিং-র চ্যালাদের মত রাতে মেয়ে-বউদের ধরে আনত আর ‘বাসনা কি ভুখ’ মিটে যাওয়ার পরে মেরে মাটিতে পুঁতে ফেলত। আর বছরের পর বছর ধরে সেই পুঁতে ফেলার (Karnataka Crime Story) কাজটাই করত কিংবা বলা ভাল করতে বাধ্য হত সেই লোকটি।
প্রথম প্রথম একটু-আধটু প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে নাকি ভীষণ অত্যাচারের মুখে পড়তে হত। অবশেষে বিবেকের তাড়না জয়ী হয় যখন নিজেদেরই নিকট আত্মীয়াকে তুলে নিয়ে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটে। রাতারাতি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে অন্য রাজ্যে পালিয়ে যান ওই কর্মচারী। দীর্ঘ দশ বছর বাদে কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে প্রতিকারের আবেদন জানান। সেই আবেদনের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে কোর্ট নির্দেশ দেয়। শুরু হয় খনন কাজ। প্রথম দুদিন প্রায় খালিহাতে ফিরতে হলেও গতকাল খনন প্রক্রিয়ার তৃতীয় দিনে সাফল্য এল। পাওয়া গেল কিছু হাড়গোড় (Karnataka Crime Story)। উচ্চ পর্যায়ের আধিকারিকরা সঙ্গে সঙ্গে পাবলিক আপিল করলেন– আপনারা এগিয়ে এসে নিরুদ্দেশ আত্মীয় কেউ থাকলে অভিযোগ করুন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
