Vidyasagar Bridge: বিদ্যাসাগর সেতু এখনও বন্ধ, যানজটে নাজেহাল শহরবাসী

কলকাতা শহর

নিউজ পোল ব্যুরো: শনিবার সকাল থেকে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথ বিদ্যাসাগর সেতু (Vidyasagar Bridge)। প্রশাসনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ১১ অক্টোবর ভোর পাঁচটা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সেতুটি বন্ধ থাকবে। উদ্দেশ্য—সেতুর জরুরি সংস্কার (Maintenance Work) ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও খুলে দেওয়া হয়নি সেতু। ফলে দেখা দিয়েছে ব্যাপক যানজট (Traffic Jam)।

আরও পড়ুন:Super Cup Foreigner: পরিবর্তন হল সুপার কাপের নিয়ম। কত জন বিদেশী খেলাতে পারবে দলগুলি?

সকাল থেকেই হাওড়া ও কলকাতা দুই দিকেই গাড়ির লম্বা লাইন। সেতুর মুখে আটকে রয়েছে ট্যাক্সি, প্রাইভেট কার, অফিসের ক্যাব ও সরকারি বাসের (Public Transport) সারি। সকাল ৯টার পর অফিসগামী মানুষজন (Office Goers) বিপাকে পড়েছেন। হাওড়া থেকে কলকাতায় (Howrah to Kolkata) ঢোকার রাস্তা কার্যত থমকে গেছে। বিকল্প রাস্তা হিসেবে অনেকেই ভিক্টোরিয়া ব্রিজ (Vivekananda Setu) ও হাওড়া ব্রিজ (Howrah Bridge) ব্যবহার করছেন, কিন্তু সেখানেও যানবাহনের চাপ বহুগুণ বেড়েছে।

কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ (Kolkata Traffic Police) জানিয়েছে, সংস্কারকাজ প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সময় নিচ্ছে। সেতুর কিছু অংশে expansion joint এবং ighting system পরীক্ষা করতে গিয়ে বিলম্ব হচ্ছে। তবে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস—দুপুরের মধ্যে সেতু খুলে দেওয়া হবে। এদিকে, অফিস টাইমে (Office Hour Rush) এমন পরিস্থিতিতে ভোগান্তির সীমা নেই নিত্যযাত্রীদের। অনেকেই বলছেন, “আগে জানানো হয়েছিল ৯টার মধ্যে সেতু খুলবে, কিন্তু এখনো বন্ধ। এত বড় সেতু বন্ধ থাকলে গোটা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা (Traffic System) ভেঙে পড়ে।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

অনেক জরুরি পরিষেবার গাড়িও (Emergency Vehicles) আটকে পড়েছে এই যানজটে। ফলে রোগী পরিবহণেও সমস্যা হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যাসাগর সেতু হল কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথ (Connectivity Route)। এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ যানবাহন (Vehicles per Day) চলাচল করে। তাই কয়েক ঘণ্টার জন্যও বন্ধ থাকলে তার প্রভাব পড়ে গোটা শহরের রাস্তাঘাটে। সেতুর সংস্কার শেষ হলে আবারও চালু হবে যান চলাচল, তবে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে—আগাম বিজ্ঞপ্তি থাকা সত্ত্বেও কেন এত দেরি? উত্তর খুঁজছে শহরবাসী।