নিউজ পোল ব্যুরো: কলকাতা লিগে গড়াপেটার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। নাম সুজয় ভৌমিক। তিনি সাধারণত প্লেয়ারদের এজেন্ট। গতকাল রাতে তাকে গ্রেফতার করেছে বৌবাজার থানার পুলিশ। ময়দানে মন নামে পরিচিত তিনি। এই এজেন্টের বাড়ি বেলেঘাটায়। বছর দুয়েক আগে গড়াপেটার ঘটনাতেও তাঁর নাম শোনা গিয়েছিলো। তিনি গ্রেফতার হওয়া খিদিরপুর স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল কর্তা আকাশ দাসের ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন:SSC Result 2025: শুক্রবার প্রকাশ এসএসসি ফল! আগে একাদশ-দ্বাদশ, পরে নবম-দশমের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শুরু
প্রসঙ্গত, কলকাতা ময়দানে ম্যাচ গড়াপেটা কান্ডে শোরগোল পড়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত ধৃত ৩। কলকাতা লিগের(CFL) প্রিমিয়ার ডিভিশনে খিদিরপুর ক্লাবের(Khidderpur) ম্যাচ ঘিরে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল বহুবার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে যৌথ তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশ ও আইএফএ (IFA)। অবশেষে শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হযয়েছিল ক্লাব কর্তা আকাশ দাস এবং তাঁর এক সহযোগীকে।
তদন্তকারীরা দাবি করেছিলেন, কলকাতা লিগের একাধিক ম্যাচে ফিক্সিং এবং বেটিং চক্রের যোগসূত্র রয়েছে ধৃতদের সঙ্গে। দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্র সক্রিয় ছিল বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা পুলিশের মতে, ফুটবল জগতে কালো টাকার প্রবাহ রুখতেই এই অভিযান।

ফুটবলপ্রেমী শহরে এই ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই তীব্র আলোড়ন তুলেছে। ময়দানের ঐতিহ্য এবং মর্যাদায় আঘাত লেগেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। আইএফএ সূত্রে খবর, ফিক্সিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই তারা তদন্তে নেমেছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার জানিয়েছিলেন, “আমরা ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক নাম পেয়েছি। যাঁদের নাম পেয়েছি, তাঁদেরকেও এই তদন্তের আওতাধীন এনে জিজ্ঞাসাবাদ করব। এই বিষয়ে আর যা যা আপডেট পাওয়া যাবে, সমস্ত কিছু জানানো হবে৷”

এই ঘটনায় আইএফ সচিব অনির্বাণ দত্ত জানিয়েছিলেন, “এই অভিযোগ আমরা এর আগেও পেয়েছি। গত শুক্রবার আমি এবং আইএফএ-র প্রেসিডেন্ট কলকাতার নগরপাল মনোজ কুমার ভার্মার সঙ্গে একটি বৈঠক করি এবং পুলিশকে এই ঘটনায় পদক্ষেপ করতে বলি। তার কিছুদিনের মধ্যেই আমরা হাতেনাতে তার ফল পেলাম। কলকাতা পুলিশের এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই৷” এখন প্রশ্ন একটাই — ময়দানের পবিত্রতা কি আবারও ফিরে আসবে, নাকি ফিক্সিংয়ের কালো ছায়া আরও ঘনাবে?
