নিউজ পোল ব্যুরো: এএফসি এশিয়ান কাপ (AFC Asian Cup) বাছাইপর্বে বাংলাদেশের (Bangladesh) বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে ভারতের। তার আগে জাতীয় দলে যুক্ত হতে যাচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান উইঙ্গার রায়ান উইলিয়ামস (Rayan Williams) এবং নেপালে জন্ম নেওয়া ডিফেন্ডার অভনীত ভারতি। ইতিমধ্যে বেঙ্গালুরুতে শুরু হওয়া জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন:Jemimah Rodrigues:ফিটনেসে মাত জেমাইমা, ভাইরাল তার ‘সিক্রেট গ্রিন জ্যুস’ রেসিপি!
ভারতের ফুটবল ফেডারেশন (IfA) সূত্রে জানা গেছে, উইলিয়ামসের বিষয়ে এখনও কিছু সইপত্র বাকি রয়েছে। ফুটবল অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) পাওয়ার পরই তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। সপ্তাহের শেষ নাগাদ সব প্রক্রিয়া শেষ হবে বলেও জানানো হয়েছে।
রায়ান উইলিয়ামস ২০১৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে এক ম্যাচ খেলেছিলেন। ২০২৩ সালে পার্থ গ্লোরি ছাড়ার পর তিনি যোগ দেন ভারতীয় ক্লাব বেঙ্গালুরু এফসিতে। গত এক বছর ধরে তিনি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। ভারতীয় দলে খেলতে হলে তাকে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়েছে, কারণ ভারত দ্বৈত নাগরিকত্ব অনুমোদন করে না। এখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় ফুটবলার হওয়ার এক ধাপ দূরে।
উইলিয়ামসের ভারতীয় সংযোগ আসে তার মায়ের মাধ্যমে, যিনি মুম্বইয়ে জন্ম নেওয়া অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান পরিবারের সদস্য। তার যমজ ভাই অ্যারিন উইলিয়ামসও একসময় ভারতের ক্লাব ফুটবলে খেলেছিলেন, বিশেষ করে এনইআরওসিএ এফসির হয়ে। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তার ভারত অধ্যায় দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

অন্যদিকে, নেপালি বংশোদ্ভূত সেন্টার-ব্যাক অভনীত ভারতিকে ক্যাম্পে ট্রায়ালের জন্য ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছে এআইএফএফ। তার পারফরম্যান্স দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ভারতি বর্তমানে বলিভিয়ার ক্লাব একাডেমিয়া দেল বালোমপিয়ে বলিভিয়ানোতে খেলছেন, চেক ক্লাব এফকে ভার্নসডর্ফের থেকে ধারে। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি উপমহাদেশের বাইরে খেলছেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ২০১২ সালে তিনি যোগ দেন সিঙ্গাপুরিয়ান ক্লাব গেলাং ইন্টারন্যাশনালের একাডেমিতে, এরপর থেকেই তার ফুটবল যাত্রা মূলত দক্ষিণ আমেরিকায়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
ভারতীয় বোর্ডের বিশ্বাস এই দুই খেলোয়াড়ের যোগদান ভারতের বর্তমান দলে নতুন শক্তি ও বিকল্প এনে দেবে। উইলিয়ামসের গতি ও ফিনিশিংয়ের দক্ষতাগ বিশেষভাবে নজর কাড়ছে কোচিং প্যানেলের। যদিও এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব থেকে ভারত ইতিমধ্যেই ছিটকে গেছে, তবে নতুন চক্র শুরুর আগে দলকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নবায়নের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ সময়।
