নিউজ পোল ব্যুরো: শীত (Winter) পড়তেই পর্যটকরা উত্তরের পাহাড়ি অঞ্চলে ভিড় করতে শুরু করেছেন। এই সময়কে কেন্দ্র করে পর্যটন (Tourism) খাতের ব্যবসায়ীরা বিশেষ আশাবাদী। সিকিম (Sikkim) রাজ্যে এবার নতুন ধরণের গ্রামীণ পর্যটন (Rural Tourism) উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে তিনটি নতুন গ্রাম চালু করা হবে। এই গ্রামগুলির মধ্যে দুটি বিশেষ উপজাতীয় (Tribal) গ্রাম — গাংচুং (Gangchung) এবং বেন (Ben)। এছাড়া, প্রায় ৯,৫০০ ফুট উঁচু তেন্ডু পাহাড়ে (Tendu Hills) একটি নতুন ট্রেকিং (Trekking) রুটও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
সিকিমে গ্রামীণ পর্যটনের মডেল হিসেবে চালমথাং গ্রাম ইতিমধ্যেই পরিচিত। এবার চেরি ব্লসম (Cherry Blossom) উৎসবের সঙ্গে মিলিয়ে তিনটি নতুন গ্রাম পর্যটনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। এই উৎসব মূলত গ্রামীণ পর্যটন এবং স্থানীয় সংস্কৃতি (Local Culture) উপস্থাপনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে। দক্ষিণ সিকিমের টেমি-নামথিং (Temi-Namthang) নির্বাচনী এলাকায় ৯ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত এই চেরি ব্লসম উৎসব (Festival) অনুষ্ঠিত হবে। চেরি ফুল দক্ষিণ সিকিমের বাসিন্দাদের কাছে পায়ু গাছ (Payu Tree) নামে পরিচিত। ফুল ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ধান কাটা (Rice Harvest) শুরু হয় এবং ফুলের সময়কাল সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিন স্থায়ী হয়।
আরও পড়ুন : SIR : অবশেষে শুরু অনলাইন প্রক্রিয়া! ভোটার তালিকা সংশোধনে চালু হল নতুন ওয়েবসাইট
নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে, সিকিমে প্রথমবারের মতো রাতের আকাশ (Night Sky) উপভোগের জন্য জ্যোতির্বিদ্যা প্রদর্শনী (Astronomy Exhibition) আয়োজন করা হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য বসানো হচ্ছে টেলিস্কোপ (Telescope), যা রাতের আকাশের সৌন্দর্য পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ দেবে। এ ছাড়াও, প্রতিবেশী দেশগুলো নেপাল (Nepal) এবং ভুটান (Bhutan) তাদের নিজস্ব অভিনব উৎসব (Unique Festival) চালু করেছে। ভুটানের ফুন্টশোলিংয়ে পাচু ফসল উৎসব (Pachhu Harvest Festival) এবং নেপালের ধানকুটায় (Dhankuta) ফসল উৎসব ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
পর্যটকদের আকর্ষণ করার পাশাপাশি, এই সমস্ত উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতি (Local Economy) ও সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় (Natural Disaster) দেখা দিয়েছে, তবুও শীতকালীন মরশুমে পর্যটকরা এখানে ভিড় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যটন খাতের প্রতিনিধিরা জানাচ্ছেন, এই গ্রামীণ পর্যটন এবং উৎসব আয়োজনের ফলে সিকিম রাজ্যে পর্যটন আরও সমৃদ্ধ হবে এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে পৌঁছাবে।
