Holi 2026: দোলে ‘ভাং বরসে’ মেজাজ! কলকাতায় ঠান্ডাইয়ের সেরা স্বাদ পেতে আজই ঘুরে আসুন এই ৩

অপরাধ লাইফস্টাইল

নিউজ পোল ব্যুরো: হোলি (Holi 2026) বা দোল উৎসবের মূল বিষয় রং খেলা হলেও, তার সঙ্গে লেজুর হয় খাওয়াদাওয়া আর ভাঙের শরবতে চুমুক। হুইস্কি বা ভোদকা নয় দোলের সঙ্গে ভাঙের সম্পর্ক নিবিড়। এই ভাঙের নেশা যখন-তখনই করা যায়, তবে কে না জানে, সব নেশাই বেশি জমে হোলিতে। অলিতে-গলিতে, টলোমলো পায়ে চলিতে, এ ঘোর কলিতে ওই দিন যেন নেশা করার যেন ঢালাও লাইসেন্স। যদিও অবাঙালিদের মধ্যে ভাঙের শরবত খাওয়ার চল বেশি হলেও, এখন কিন্তু বাঙালিদের মধ্যেও বেশ জনপ্রিয় তা। কলকাতার কোথায় গেলে পাবেন ভাঙের শরবতের সেরা স্বাদ, রইল হদিস।

আরও পড়ুন: Entrance After 12: দ্বাদশে বাণিজ্য বিভাগ! প্রথাগত পথের বাইরে উচ্চশিক্ষায় কোন কোন নতুন দিগন্ত অপেক্ষায়?

শিব শক্তি শরবত শপ (বিকে পাল এভিনিউ) (Holi 2026)

ষাট বছরের পুরনো এই দোকানে হোলির সময় ভাং ঠান্ডাই খাওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ে। এখানকার বাদাম ঠান্ডাই, কেশর ঠান্ডাই, পেস্তা বাদাম ঠান্ডাই কিন্তু চেখে দেখতে ভুলবেন না। এখানে গেলে পাবেন বিভিন্ন মাপের ভাঙের লাড্ডু। গ্রাহকের পছন্দের কথা মাথায় রেখে সেই লাড্ডু মিশিয়েই বানিয়ে দেওয়া হয় ঠান্ডাই। ঘন মালাইযুক্ত এই শরবতে পাবেন কুচোনো বাদামের স্বাদও।

শিব আশ্রম (বিধান সরণি) (Holi 2026)

এই দোকানের বয়স প্রায় ৩৫ বছর। গরমকালে ভাল লস্যির স্বাদ পেতে এই ঠিকানায় ঢুঁ মারেন অনেকেই। তবে হোলির সময় ভাং লস্যি খাওয়ার জন্য দোকানের সামনে থাকে উপচে পড়া ভিড়। ম্যাঙ্গো, রোজ় বা যে কোনও স্বাদের লস্যিতেই চাইলেই ভাং মিশিয়ে খেতে পারেন। লস্যির পাশাপাশি এখানকার ভাং ঠান্ডাইও বেশ জনপ্রিয়। এখানকার কেশর-বাদাম ঠান্ডাইয়ের স্বাদ এক বার নিলে বহু দিন মনে থেকে যাবে।

ল্যাংড়া ভাং শপ (বড়বাজার) (Holi 2026)

ভাঙের খোঁজ করলে কলকাতার বড়বাজার এলাকায় গিয়ে হতাশ হবে না। বড়বাজারের জৈন মন্দিরের উল্টো দিকের এই দোকানের ভাঙের শরবতের স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো। এই দোকানটিতে খুব বেশি রকমারি স্বাদের ঠান্ডাই পাওয়া না গেলেও এখানকার ক্লাসিক ঠান্ডাই ভাং শরবত একাই একশো।

এ ছাড়াও নিমতলা এলাকায় ভূতনাথ মন্দিরের আশেপাশে বেশ কিছু দোকান রয়েছে যেখানে দোলের সময় ভাঙের শরবতের স্বাদ চেখে দেখতে পারেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole