নিউজ পোল ব্যুরো: সুর, তাল ও লয় আর নৃত্যের ছন্দে কলকাতা (Kolkata) মুখর হতে চলেছে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে। নজরুল মঞ্চে (Nazrul Mancha) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ‘ভারত সংস্কৃতি যাত্রা ২০২৫’ (Bharat Sanskriti Yatra 2025)—একটি বিশেষ তিনদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব (Cultural Festival)। এই উৎসব কেবল সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনার সমাহার নয়, বরং এটি ভারতের ঐতিহ্য, আধুনিকতার ছোঁয়া এবং শিল্পীদের প্রজন্মান্তরের সংযোগের এক অনন্য মঞ্চ। উৎসব শুরু হবে ২৭ নভেম্বর এবং চলবে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রথম দুই দিন দর্শকরা উপভোগ করবেন শাস্ত্রীয় সংগীত (Classical Music) ও নৃত্যের (Dance) মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা, যেখানে বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা তাদের শিল্পকর্ম উপস্থাপন করবেন। আর শেষ দিন, অর্থাৎ ২৯ নভেম্বর, রাতে অনুষ্ঠিত হবে এক অল-নাইট ক্লাসিক্যাল মিউজিক কনসার্ট (All-Night Classical Music Concert), যা শিল্পপ্রেমীদের জন্য এক অতুলনীয় অভিজ্ঞতা।
উৎসবের আয়োজনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পণ্ডিত প্রসেনজিৎ পোদ্দার (Pandit Prasenjit Poddar), যিনি সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন, এবং শ্রী দীপক সরকার (Deepak Sarkar), হিন্দুস্তান আর্ট অ্যান্ড মিউজিক সোসাইটি (HAMS)-এর আহ্বায়ক। কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শহরের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ও নৃত্যগুরুদের একটি গৌরবময় তালিকা, যার মধ্যে রয়েছেন শ্রী দেবাশিস কুমার (Debashis Kumar), কিংবদন্তি তবলা বাদক পণ্ডিত কুমার বোস (Pandit Kumar Bose), পণ্ডিত সঞ্জয় মুখার্জি (Pandit Sanjay Mukherjee), সন্তুর মায়েস্ত্রো পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য (Pandit Tarun Bhattacharya), নৃত্যগুরু সঞ্চিতা ভট্টাচার্য (Sanchita Bhattacharya) সহ আরও অনেকে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
শ্রী দেবাশিস কুমার বলেন, “কলকাতা বরাবরই ভারতীয় শিল্প ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। ‘ভারত সংস্কৃতি যাত্রা’ আমাদের ঐতিহ্যের প্রদর্শন। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং সুর ও ছন্দের বন্ধনে দেশের শিল্পীদের একত্রিত করার এক সেতুবন্ধন।” পণ্ডিত কুমার বোস যোগ করেন, “এই যাত্রা কেবল আনন্দের নয়, এটি আধ্যাত্মিক ও সংগীতময় ভ্রমণ। তরুণদের জন্য এটি নতুন সুযোগ এবং অনুপ্রেরণার মঞ্চ।” উৎসবের সম্পাদক পণ্ডিত প্রসেনজিৎ পোদ্দার আরও বলেন, “আমরা চাই ভারতীয় সংস্কৃতির সারসত্তাকে তুলে ধরতে। কিংবদন্তি গুরু ও নবীন শিল্পীরা এক মঞ্চে পারফর্ম করছেন, যা শান্তি, ঐক্য ও সুরের বার্তা ছড়াবে।” এই তিনদিনব্যাপী উৎসবের মাধ্যমে কলকাতা (Kolkata) হতে চলেছে ভারতের সাংস্কৃতিক হৃদয়, যেখানে সঙ্গীত, নৃত্য ও শিল্পকলার সমন্বয়ে তৈরি হবে এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলন (Cultural Confluence)।
