Prashant Kishor: সন্ন্যাসে অনড় নন পিকে! বিহার ভোটে নীতীশের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ

দেশ রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো: বিহারের (Bihar Election) সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে জেডিইউ-র বিপুল সাফল্য এবং জন সুরজ পার্টির বড়সড় ব্যর্থতা দুয়ের মাঝেই ফের শিরোনামে প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণিত হলেও ‘সন্ন্যাস’ নেওয়ার প্রশ্নে সরাসরি পিছু হটলেন তিনি। বরং ভোটের ফল নিয়ে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) দিকে।

আরও পড়ুন: OTP Fraud : SIR ফর্মের নামে OTP জালিয়াতি! নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ আগেভাগে সতর্ক করল জনগণকে

প্রচারের সময় পিকে (Prashant Kishor) দাবি করেছিলেন, জেডিইউ ২৫-এর বেশি আসন পেলে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াবেন। কিন্তু বাস্তবে জেডিইউ পেয়েছে ৮৫টি আসন, আর এনডিএ গড়ে তুলেছে শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা। অন্যদিকে ২৩৮টি আসনে লড়াই করেও জন সুরজ পার্টি একটি আসনও জিততে পারেনি; অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাজেয়াপ্ত হয়েছে জামানত। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পিকে জানান, তিনি কোনও রাজনৈতিক পদে নেই, তাই সরে যাওয়ার প্রশ্নও ওঠে না। তিনি বিহারেই কাজ চালিয়ে যাবেন ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।

নিজের মন্তব্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি হালকা হাসিতে বলেন, “আমি বলেছিলাম জেডিইউ ২৫-এর কম আসন পাবে, আর জন সুরজ হয় একেবারে উপরে উঠবে না হয় একেবারে নিচে নেমে যাবে। অন্তত দ্বিতীয় কথাটা ঠিকই হয়েছে।” এরপরই তিনি নীতীশ সরকারকে সরাসরি আক্রমণ করে অভিযোগ তোলেন, বিহারে ভোট কেনা হয়েছে সরকারি প্রকল্পের মোড়কে।

পিকের (Prashant Kishor) দাবি, নির্বাচনের আগে ‘মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনা’-র অধীনে মহিলাদের ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার নামেই ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে। তার কথায়, “এই অর্থমূলক সুবিধাই মূলত ভোট কেনার হাতিয়ার হয়েছে।” শুধু তাই নয়, তিনি নতুন করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, এই প্রকল্প অনুযায়ী ছয় মাস পর যদি প্রতিশ্রুত ২ লক্ষ টাকা করে মহিলাদের হাতে পৌঁছে যায়, তবে তিনি রাজনীতি ও বিহার দুটোই ছেড়ে দেবেন।

তবে নিজের দলের ভরাডুবির দায় এড়াননি প্রশান্ত কিশোর। স্বীকার করে নেন যে তারা সৎভাবে লড়াই করলেও মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। পিকে বলেন, “এই হারের সম্পূর্ণ দায় আমার। ভোটারদের বিশ্বাস জোগাতে পারিনি এটাই আমাদের প্রধান ব্যর্থতা।” নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, যদিও জন সুরজ কোনও আসন পায়নি, তবুও তারা পেয়েছে মোট ৩.৪ শতাংশ ভোট। যা বিএসপি, সিপিআই-এমএল, মিম-এর মতো কয়েকটি দলের থেকেও বেশি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole