Weather Update : দক্ষিণবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত, কুয়াশার চাদরে ঢাকা একাধিক জেলা—বৃষ্টি নেই বলেই পূর্বাভাস

আবহাওয়া কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ পুরোদমে উপভোগ করতে পারবেন বাসিন্দারা। আবহাওয়া দফতরের (IMD) পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন আকাশ মূলত শুষ্ক থাকবে এবং বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। দিনের বেশির ভাগ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে সূর্যের দেখা মিলবে (Weather Update)। ফলে সকাল-সন্ধ্যায় শীতের অনুভূতি থাকলেও বেলা গড়ালে তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। দক্ষিণের একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই তাপমাত্রার পারদ অনেকটাই নেমে এসেছে। রাতের দিকে ঠান্ডা বাড়ছে, সকালের দিকেও শীতের কামড় স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে (Weather Update)। তবে মাঝেমধ্যে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন দেখা গেলেও সার্বিকভাবে শীতের দাপট বজায় থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শীতের প্রভাব তুলনামূলক বেশি। পুরুলিয়া জেলায় শীতের আমেজ এখন বেশ ভালোভাবেই টের পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিন ভোরের দিকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা জেলা। সকালের কয়েক ঘণ্টা দৃশ্যমানতা কম থাকলেও বেলা বাড়তেই কুয়াশা কেটে রোদের দেখা মিলছে (weather Update)।

আরও পড়ুন : Narendra Modi: ‘বন্দে মাতরম’ ইস্যুতে উত্তাল সংসদ! আলোচনায় অংশ নেবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী

এ সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর (IMD)। হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া—এই সমস্ত জেলাতেই সকালবেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে (Weather Update)। ফলে ভোরের দিকে যান চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

আকাশ শুষ্ক থাকার কারণে আপাতত বৃষ্টির কোনও আশঙ্কা নেই (Weather Update)। কৃষিকাজের ক্ষেত্রেও এই আবহাওয়া কিছুটা স্বস্তির বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শীতের মরসুমে এই ধরনের আবহাওয়া শস্যের জন্য অনুকূল হতে পারে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষও সকাল-সন্ধ্যার ঠান্ডায় গরম পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন। সব মিলিয়ে চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শীতের পরিবেশ বজায় থাকবে, সঙ্গে থাকবে কুয়াশার দাপট ও শুষ্ক আবহাওয়ার প্রভাব।