Dilip Ghosh Babri Mosque Remark:গীতাপাঠের মহাসমাবেশে দিলীপের বাবরি মন্তব্য, পাল্টা আক্রমণে তৃণমূল!

রাজনীতি রাজ্য

ব্রিগেডে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ—আর সেই মঞ্চ থেকেই ফের চড়ল রাজনৈতিক সুর। সনাতন সংস্কৃতি পর্ষদের আয়োজনে রবিবার সকাল থেকেই ভরে উঠেছিল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে ভোরেই ভক্তদের ঢল নামে। স্তোত্রপাঠ, শোভাযাত্রা, নামসংকীর্তনে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এবারের অনুষ্ঠানকে সর্বজনীন করতে মতুয়া সমাজ সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ২০২৪ সালের আয়োজনকেও ছাপিয়ে এ বার সমবেত হল পাঁচ লক্ষ মানুষের কণ্ঠ—যার ঢেউয়ে গাইলো একতার বার্তা। এই বিশাল সমাবেশে সপরিবারে হাজির ছিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh Babri Mosque Remark)। সাম্প্রতিক সময়ে দলের প্রচারমঞ্চে তাঁকে খুব একটা দেখা না গেলেও, এদিন বিজেপি নেতৃত্বের পাশে তাঁর উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করেছে। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়েই তিনি বাবরি মসজিদ ইস্যুতে কড়া অবস্থান নেন।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/12/07/bihar-industrial-security-force-investor-safety-and-industrial-growth/

তাঁর কথায়, “বাংলায় বাবরি মসজিদ হবে না। বিভাজনের বলি হয়েছেন বহু মানুষ, আবার সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি চলবে না।” পাশাপাশি রামমন্দির, কৃষ্ণমন্দির নির্মাণ ও গীতাপাঠকে সনাতন সংস্কৃতির শক্তির প্রতীক হিসেবেও তুলে ধরেন তিনি।

দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh Babri Mosque Remark) মন্তব্যের পরই তোপ দাগে তৃণমূল। দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার অভিযোগ করেন, বিজেপি ধর্মকে রাজনীতির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তাঁর কথায়, “বাবরি মসজিদ নিয়ে বিজেপির যে ভাষা, তাতে তাদের সঙ্গে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের কোনও পার্থক্য থাকে না।” উল্লেখ্য, শনিবার মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে ‘বাবরি’ মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঘিরেই উত্তাপ ছড়িয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। সেই প্রেক্ষাপটেই দিলীপ ঘোষের বক্তব্য নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

ভক্তিমূর্ছনায় ভরপুর ব্রিগেডের সমবেত গীতাপাঠ একদিকে যেমন তুলে ধরেছে সংস্কৃতির একাত্মতার বার্তা, তেমনই ধর্ম ও রাজনীতির মিশেলে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এই আয়োজন। বিশাল সমাবেশের আবহে গেয়ে উঠল পাঁচ লক্ষ কণ্ঠ—কিন্তু তার শব্দছটায় রাজনীতির টানাপোড়েনও স্পষ্ট হয়ে উঠল দিনের শেষে।