ED chargesheet sand smuggling:বালি পাচার মামলায় ইডির চার্জশিট, আর্থিক অনিয়মের অঙ্ক প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:বালি পাচার মামলায় তদন্তের পরিধি আরও স্পষ্ট হল। রাজ্যের একাধিক জেলায় টানা তল্লাশি অভিযানের পর শনিবার কলকাতার বিচার ভবনে চার্জশিট জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) (ED chargesheet sand smuggling)। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় মোট আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, চার্জশিটে মোট ১৮ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হাওড়ার ব্যবসায়ী অরুণ সরফ। তাঁর সঙ্গে অভিযুক্ত করা হয়েছে অরুণের তিন কর্মচারীকেও। শুধু ব্যক্তি নন, এই মামলায় মোট ১৪টি সংস্থার নামও অভিযুক্ত তালিকায় রয়েছে, যার মধ্যে অরুণ সরফের সংস্থাও অন্তর্ভুক্ত।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/01/03/the-aiff-has-announced-that-the-isl-will-be-run-by-the-federation/

আগামী সোমবার কলকাতার বিচার ভবনে মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ইডির (ED chargesheet sand smuggling) তদন্তে উঠে এসেছে, নির্দিষ্ট কিছু সংস্থাকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি বালি খনন ও বিক্রির কাজ চলছিল। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, অরুণ সরফ নিজের নামে সরাসরি কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার না করে অন্য পথের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন চালাতেন। তদন্তে দেখা গিয়েছে, তিনি প্রায় ১০৩ কোটি টাকার বালি বিক্রির কথা স্বীকার করলেও তাঁর বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা। এই অস্বাভাবিক আর্থিক ফারাক থেকেই তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও গভীর হয়।

ইডি হেফাজতে থাকাকালীন রাজ্যের ১৩টি জায়গায় বালির মজুত খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। সেখানে বাস্তব স্টক ও নথিভুক্ত হিসাবের মধ্যে একাধিক গরমিল ধরা পড়ে বলে দাবি ইডির। পরবর্তীতে বিভিন্ন এলাকায় পুনরায় যাচাই করেও একই ধরনের অসঙ্গতির প্রমাণ মিলেছে। তদন্তকারী সংস্থার আরও অভিযোগ, বেআইনি বালি খননের পাশাপাশি ভুয়ো ই-চালান ব্যবহার করে সরকারি নিয়ম ভেঙে বালি পরিবহণ ও বিক্রি চলছিল। প্রশাসনিক ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে সরকারি রাজস্ব আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইডি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFhttps://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরেই বালি পাচার মামলার সূত্র ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই তদন্তের অংশ হিসেবেই গত বছরের নভেম্বর মাসে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে অরুণ সরফকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারির আগে প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। গ্রেফতারির পর থেকে এখনও জেল হেফাজতেই রয়েছেন অরুণ সরফ। ইডির দাবি, তাঁর বিরুদ্ধেই প্রায় ৭৮ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।