নিউজ পোল ব্যুরো: ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বিদেশনীতি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতির কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপের (Football World Cup) টিকিটের আবেদন বাতিল করেছেন। বিশেষত ইরান ও হাইতির মতো দেশ থেকে আসা সমর্থকরা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে প্রায় ১৭ হাজার সমর্থক এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুধুমাত্র ইরান (Iran) বা হাইতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, ইউরোপ, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও এশিয়ার সমর্থকরাও #BoycottWorldCup হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। তারা মনে করছেন ট্রাম্পের নীতির কারণে তাদের ভিসা পেতে সমস্যা হবে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে। তবে এমন প্রতিবাদ ও ভিসা জটিলতা নিয়ে ফিফা জরুরি মিটিং করেছে।
আরও পড়ুন: India vs New Zealand :পন্থের পর নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন ওয়াশিংটন সুন্দর
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৪ জুন নির্বাহী আদেশে ১২টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেন। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন।

এই দেশগুলোর মধ্যে এশিয়ান বাছাই থেকে ইরান গত ২৫ মার্চ এবং কনক্যাকাফ বাছাই থেকে হাইতি ১৯ নভেম্বর বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করে। ইরান টানা চতুর্থ এবং সব মিলিয়ে সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে। তবে ১৯৭৪ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে জায়গা করতে পেরেছে ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ হাইতি।ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করার পর ট্রাম্পের নজর এখন গ্রিনল্যান্ড এবং ইরানে। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমেরিকা-ডেনমার্ক সম্পর্কের অবনতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তাই আগে থেকে খেলা দেখার টিকিট বুক করলেও তাঁরা তা বাতিল করছেন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সেই বৈঠকে থাকার কথা ফিফার কর্তা এবং বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটির প্রতিনিধিদের।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
বিক্রি হওয়া টিকিটের টাকা ফেরত না দেয় না ফিফা। এই নিয়ম আগে থেকেই রয়েছে। এ বারও অন্যথা হয়নি। ফলে প্রথম দু’দফায় বিক্রি হওয়া টিকিট বাতিল সম্ভব নয়। তবে তৃতীয় দফায় টিকিট কেনার আবেদন ফিরিয়ে নিচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা। চাহিদা কমেছে বেশ কিছু দেশের ফুটবল সংস্থারও। পাল্লা দিয়ে কমছে আমেরিকায় বিশ্বকাপের শহরগুলির হোটেলের চাহিদা।
