নিউজ পোল ব্যুরো: ‘হোক কলরব’ বিতর্কের পর আবারও পরিচালকের চেয়ারে ফিরলেন রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty)। তবে তার প্রত্যাবর্তন যে একেবারেই সাদামাটা নয়, তা প্রথম ঝলকেই স্পষ্ট। দীর্ঘদিন পর রাজের ফ্রেমে ফের দেখা মিলছে তার ‘পরিণীতা’ শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের (Subhashree Ganguly)। টলিপাড়ার এই জনপ্রিয় পরিচালক-নায়িকা জুটি এর আগেও বারবার প্রমাণ করেছে, একসঙ্গে এলেই দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করে বিশেষ চমক। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তাদের নতুন কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই ছবিতে শুভশ্রীর (Subhashree Ganguly) সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন অঙ্কুশ হাজরা (Ankush Hazra)। বহুদিন পর শুভশ্রী-অঙ্কুশকে (Subhshree -Ankush) একসঙ্গে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শক, যা নিঃসন্দেহে এই প্রজেক্টের বড় আকর্ষণ। তবে শুধু তারকাখচিত কাস্ট নয়, ছবির বিষয়বস্তুও আলাদা করে নজর কাড়ছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিতে রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রভাব তুলে ধরেছেন রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty)।
‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ (Lakshmi Elo Ghore)—নামেই লুকিয়ে রয়েছে ছবির মূল বক্তব্য। কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, রূপশ্রী, সবুজ সাথী থেকে শুরু করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্প কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনে পরিবর্তন এনেছে, সেই কথাই গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সমাজের নানা স্তরের মানুষের জীবনে এই প্রকল্পগুলির প্রভাব, তাদের দৈনন্দিন বাস্তবতা এবং বদলে যাওয়া সামাজিক কাঠামো—এই সবই এক ঘণ্টার এই ছবির মূল উপজীব্য। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এটি কোনও পূর্ণদৈর্ঘ্যের ফিচার ফিল্ম নয়। মাত্র এক ঘণ্টার স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিতেই গোটা বক্তব্য তুলে ধরতে চেয়েছেন বিধায়ক-পরিচালক রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty)। রাজনৈতিক বার্তা ও সামাজিক গল্পকে মিলিয়ে তৈরি এই কাজকে অনেকেই দেখছেন আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘সিনে স্টেটমেন্ট’ হিসেবে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নির্বাচনের মুখে মুক্তি পাওয়া এই ছবি তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে জনমত গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে। জানা গিয়েছে, বুধবার নন্দন-২ প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির বিশেষ স্ক্রিনিং অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি টলিউডের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও এই স্ক্রিনিংয়ে আমন্ত্রিত। সব মিলিয়ে, রাজ-শুভশ্রীর এই নতুন প্রয়াস ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।
