Blood Pressure Control: শীতকালে কেন বাড়ে রক্তচাপ? চিকিৎসকদের রক্তচাপ নিয়ে সতর্কতা

Uncategorized

নিউজ পোল ব্যুরো: শীতের মরসুমে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার-এর সমস্যা অনেকের ক্ষেত্রেই বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে, এই সময়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্‌থ (National Institute of Health) প্রকাশিত একাধিক গবেষণায় জানানো হয়েছে, যাঁরা হৃদ্‌রোগী বা দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, তাঁদের শীতকালে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন:Amazon: কম দামে হাই-টেক ফোন! আমাজনের রিপাবলিক ডে সেলে অফারের হিড়িক

শীতের সময় প্রবল ঠান্ডার প্রভাবে শরীরের ধমনী ও শিরা স্বাভাবিকভাবেই সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এর মূল কারণ হল শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখা। কিন্তু এর ফলে রক্ত চলাচলের পথ সরু হয়ে যায় এবং রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। শুধু ওষুধ খেলেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না, দৈনন্দিন জীবনযাপনের কিছু অভ্যাসও নিঃশব্দে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

প্রথমত, নুনযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার। শীতে হিমায়িত খাবার, প্যাকেটবন্দি স্যুপ, ভাজাভুজি ও ফাস্টফুড খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। এই সব খাবারে অতিরিক্ত নুন থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই ঘরে রান্না করা খাবার পরিমিত নুন দিয়ে খাওয়া এবং আলাদা করে নুন খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।

দ্বিতীয়ত, শীতের লোভনীয় মিষ্টি খাবার। কেক, পেস্ট্রি, পায়েস, হালুয়া কিংবা গুড়ের মিষ্টিতে প্রচুর ক্যালোরি ও ফ্যাট থাকে। যাঁদের কোলেস্টেরল বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে এই খাবারগুলি ধমনীতে প্লাক তৈরি করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

তৃতীয়ত, শরীরচর্চার অভাব। ঠান্ডায় অনেকেই হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম বন্ধ করে দেন, বিশেষত বয়স্করা। কিন্তু নিয়মিত হাঁটা ও হালকা ব্যায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া শীতে ওজন বৃদ্ধি, কম জল পান এবং ঘাম কম হওয়াও রক্তচাপ বাড়ার অন্যতম কারণ। একই সঙ্গে অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল গ্রহণও ক্ষতিকর হতে পারে। এর পরিবর্তে ভেষজ পানীয় যেমন আদা জল বা দারচিনির জল পান করা ভালো।

সবশেষে বলা যায়, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ম করে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি লাইফস্টাইল ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত জরুরি। তবুও যদি আচমকা রক্তচাপ বেড়ে যায় বা অস্বস্তি অনুভূত হয়, তবে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।