Election Commission: নজিরবিহীন সংঘাত! বিএলও-দের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ প্রত্যাহার চেয়ে নির্বাচন কমিশনকে কড়া চিঠি নবান্নের

কলকাতা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সঙ্গে ফের টানাপোড়েনের পথে হাঁটল নবান্ন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত কাজে গাফিলতির অভিযোগে পাঁচ জন নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার যে নির্দেশ দিল্লির নির্বাচন কমিশন (Election Commission) দিয়েছিল, তা প্রত্যাহারের আর্জি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি পাঠাল রাজ্য সরকার। নবান্নের বক্তব্য, তুলনামূলকভাবে সামান্য অভিযোগের ক্ষেত্রে এত বড় শাস্তির নির্দেশ কেন দেওয়া হচ্ছে এই প্রশ্নই তুলেছে রাজ্য।

আরও পড়ুন: Nipah Virus: ‘আতঙ্কিত হবেন না’, নিপা ভাইরাস মোকাবিলায় একগুচ্ছ নতুন গাইডলাইন জারি করল রাজ্য

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই চিঠি ইতিমধ্যেই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সেখান থেকেই নেওয়া হবে। রাজ্যের দাবি, অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ফৌজদারি মামলা দায়েরের মতো গুরুতর নয়। রাজ্য সরকারের মতে, ‘লঘু দোষে গুরুদণ্ড’ দেওয়ার কোনও যুক্তি নেই।

এই মুহূর্তে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের শুনানি প্রক্রিয়া চলছে। তার আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ ও তা পূরণ করানোর কাজ সম্পন্ন হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ ওঠে, এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই কারচুপি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা এলাকার দুই ইআরও ও দুই এইআরও-সহ মোট পাঁচ জন নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ ওঠে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লির নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের নির্দেশ দেয়, অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। তবে সেই নির্দেশ জারি হওয়ার প্রায় পনেরো দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত এফআইআর করা হয়নি। যদিও এর মধ্যে রাজ্যের সিইও দপ্তর থেকে দু’দফায় জেলাশাসকদের বিষয়টি মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় রাজ্য সরকার অ্যাডভোকেট জেনারেলের সঙ্গে পরামর্শ করে। নবান্নের পাঠানো চিঠিতে সেই আইনি মতামতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্যের দাবি, অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে ত্রুটি ধরা পড়েছে, তা প্রশাসনিক স্তরে সংশোধনযোগ্য, ফৌজদারি মামলার মতো কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন নেই। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, এফআইআর দায়েরের নির্দেশ প্রত্যাহার করা হোক। এই ইস্যুতে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে সংঘাত আরও গভীর হতে চলেছে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহল।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole