Water Supply Disruption : আগামী শনিবার দক্ষিণ কলকাতায় গার্ডেনরিচ জল সরবরাহ স্থগিত, দিনভর থাকবে পানীয় জলের সংকট

কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: আগামী শনিবার দক্ষিণ কলকাতার (South Kolkata) বিস্তীর্ণ অংশে দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকতে চলেছে পানীয় জলের সরবরাহ (Water Supply Disruption)। গার্ডেনরিচ জল (Garden Reach Water) পরিশোধন প্রকল্পে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির কাজ হাতে নেওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা (Water Supply Disruption)। পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, মূল জল সরবরাহকারী পাইপলাইনের বিভিন্ন জায়গায় ত্রুটি ধরা পড়েছে। সেই সঙ্গে নতুন ভালভ বসানো, পুরনো ভালভ মেরামত, বুস্টার পাম্পের সংস্কার ও সামগ্রিক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ একসঙ্গে করা হবে। এই কাজের জন্য আগামী ৩১ জানুয়ারি, শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের পর থেকে গার্ডেনরিচ প্রকল্প থেকে জল সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে বেহালা, রানিকুঠি, গড়ফা, কালীঘাট, চেতলা, বাঁশদ্রনী, সেনাপল্লী, লালকা ও পর্ণশ্রী বুস্টার পাম্পিং স্টেশনগুলির আওতাধীন এলাকাগুলিতে। ফলে দক্ষিণ কলকাতার (South Kolkata) বহু ওয়ার্ডে দিনভর জল না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন : Kolkata Police : মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে শহরে ট্র্যাফিক ব্যবস্থায় কড়াকড়ি, বিজ্ঞপ্তি জারি কলকাতা পুলিশের

কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, ৮ থেকে ১৪ নম্বর বরোর অন্তর্গত সমস্ত ওয়ার্ডেই জল সরবরাহ বন্ধ থাকবে। টালিগঞ্জ, যাদবপুর, চেতলা, বেহালা, গড়িয়াহাট, কসবা এবং ই এম বাইপাস সংলগ্ন দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জল পরিষেবা মিলবে না। পুরসভা আশঙ্কা করছে, কাজ শেষ হলেও পাইপলাইনে জল ভর্তি ও স্বাভাবিক চাপ ফিরতে সময় লাগবে। সেই কারণে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে পারে রবিবার, অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। এর আগেও একাধিকবার গার্ডেনরিচ ও সংশ্লিষ্ট পাম্পিং স্টেশনে রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য কলকাতার বিভিন্ন অংশে সাময়িকভাবে জল পরিষেবা বন্ধ রাখতে হয়েছে (Water Supply Disruption)। এবারও সেই ধাঁচেই পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হচ্ছে বলে দাবি পুরসভার।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, গার্ডেনরিচে (Garden Reach Water) কয়েকটি নতুন ভালভ তৈরি ও বসানোর কাজ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই ৩১ জানুয়ারি এই রক্ষণাবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার কথায়, “এই কাজের প্রভাব টালিগঞ্জ, বেহালা, চেতলা, রাসবিহারী ও যাদবপুরের কিছু অংশে পড়বে। সাময়িক অসুবিধার জন্য নাগরিকদের সহযোগিতা চাই।”