Anandapur Fire:ভয়াবহ আগুনের পর ভয়ংকর সত্য! আনন্দপুরে মিলল ২৭টি দেহাংশ

রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ছ’দিন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত নিখোঁজদের ভাগ্য অনিশ্চিত। দুর্ঘটনার রাতে গুদামের ভিতরে থাকা অন্তত ২৭ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি। শনিবার পর্যন্ত পুড়ে যাওয়া গুদাম চত্বর থেকে মোট ২৭টি দেহাংশ উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই দেহাংশগুলি মিলিয়ে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ঠিক কত, তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন: http://Anandapur Fire: শোকের মিছিলে ডিজে! আনন্দপুর কাণ্ডে শুভেন্দুর কর্মসূচি ঘিরে তীব্র বিতর্ক

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাংশগুলি এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে সেগুলির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে সেগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে (FSL)। বারুইপুর পুলিশ জেলার এক শীর্ষ আধিকারিক শনিবার জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। তার পর নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের রক্তের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। ডিএনএ ম্যাচ হলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের হাতে দেহাংশ তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার শুভেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার চেষ্টা চলছে, যাতে শোকগ্রস্ত পরিবারগুলি অন্তত নিশ্চিত হতে পারেন তাঁদের প্রিয়জনদের পরিণতি সম্পর্কে। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বা পরিচয় নিয়ে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করতে নারাজ প্রশাসন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় শুক্রবার শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল (Prime Minister Relief Fund) থেকে মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারও নিহতদের পরিবারপিছু ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ শুক্রবার ওই গুদামের ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে। তাঁদের বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় দ্বিতীয় গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস গ্রেফতার হয়েছিলেন। সব মিলিয়ে আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড মামলায় এখনও পর্যন্ত ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল তিনে।