নিউজ পোল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। আর সেখানেই রাজ্য সরকার এবার বিশেষ নজর দিচ্ছে গিগ ইকোনমির কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার দিকে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় এবার ফুড ডেলিভারি, অ্যাপ বাইক চালক, অ্যাপ চালকসহ অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরাও আসবেন। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যায় তারা স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে সুবিধা পাবেন।
1. স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা:
•গিগ ওয়ার্কাররা স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসা সুবিধা পাবেন।
•পরিবারের সব সদস্য এই সুবিধার অধিকারী হবেন।
2. অফিশিয়াল পোর্টাল:
•গিগ ওয়ার্কারদের জন্য আলাদা একটি পোর্টাল খোলা হবে।
• পোর্টালে আবেদন করার পর ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সুবিধা নিশ্চিত হবে।
3. এককালীন আর্থিক সহায়তা:
•স্বাস্থ্যসাথী ছাড়াও গিগ কর্মী ও তাদের পরিবার একাধিক এককালীন সহায়তা পাবেন।
•অসুস্থতা বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যরা সরকারি সহায়তা পাবেন।
4. অসঙ্গঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের অন্তর্ভুক্তি:
•গিগ ওয়ার্কারদের মধ্যে ফুড ডেলিভারি কর্মী, অ্যাপ চালক, বাইক চালকসহ অন্যান্য অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা অন্তর্ভুক্ত।
•এই উদ্যোগ মানবিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
বাজেট পেশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গিগ ওয়ার্কারদের সামাজিক সুরক্ষা নেই। পোর্টাল খোলা হবে, সার্ভে সম্পন্ন হবে, অসুস্থ বা প্রয়োজনে পরিবারের সদস্যরা সাহায্য পাবেন।” বেকার যুবসমাজের জন্য নতুন প্রকল্প এবং জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই বাজেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃতীয়বারের তৃণমূল সরকারের শেষ বাজেট। নতুন সরকার গঠনের পর আবার একটি বাজেট পেশ হবে।
রাজ্যের এই উদ্যোগ গিগ ইকোনমির কর্মীদের জীবনযাত্রাকে আরও স্থিতিশীল ও নিরাপদ করবে, স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা ও এককালীন সহায়তার মাধ্যমে অসংগঠিত খাতের কর্মীদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।
