নিউজ পোল ব্যুরো: আজ রাজ্য বাজেট (West Bengal Budget) প্রকাশের দিন। গত চারটি বাজেটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের (Mamata Banerjee Government) মূলধন খাতে বড় বরাদ্দ বা বিনিয়োগের নজির লক্ষ্য করা যায়নি। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাজেটের বাইরে শিল্পায়ন (industrialization) বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত যে প্রতিশ্রুতি থাকে, তা প্রায়ই ফাঁপা প্রমাণিত হয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের কৌতূহল মূলত সীমিত হয়ে এসেছে দু’টি প্রশ্নের দিকে—লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে (Lakshmi Bhandar) কত টাকা বাড়ানো হবে এবং সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ কত বৃদ্ধি পাবে।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, এবারও বাজেটের আগে এই দুটি বিষয়ই হরেক রকম আলোচনা ও জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। তবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট (full budget) পেশের সুযোগ নেই, কারণ সরকারের মেয়াদ চলবে মধ্য মে পর্যন্ত। সেই সময় পর্যন্ত খরচ চালানোর জন্য অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya) ভোট অন অ্যাকাউন্ট ঘোষণা করবেন।
সূত্রের খবর, মহার্ঘ ভাতা ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সর্বাধিক ৫০০ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে। এছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি ও আশা কর্মীদের ভাতা, হোমগার্ড ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের তা বৃদ্ধি সম্ভাব্য। পুলিশ নিয়োগ , পুর করের ছাড় এবং মধ্যবিত্তের জন্য উপশমমূলক পদক্ষেপও বাজেটে থাকতে পারে। রাজ্যের নতুন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প এবং গ্রামীণ পরিকাঠামো ও রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ বাড়ানোরও সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যা ২০২১ সালের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে চালু হয়েছে, ভোটের বছরে আরও গুরুত্ব পেতে পারে। গত পাঁচ বছরে এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের হাতে পৌঁছেছে প্রায় ৭৪ হাজার কোটি টাকা।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
রাজ্য প্রশাসন আশা করছে, এবার রাজ্য বাজেট (West Bengal Budget) ভোটের বছরে সাধারণ মানুষের জন্য বাস্তবসম্মত সুবিধা ও নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে শক্ত বার্তা দিতে সক্ষম হবে। কেন্দ্রীয় বাজেট থেকে বাংলার বঞ্চনার অভিযোগের প্রতিফলন হিসেবেও নবান্নের বাজেট বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এখন শুধু রাত পোহানোর অপেক্ষা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য যখন বাজেট বই খুলবেন, দেখাই যাবে রাজ্য সরকার কতটা চমক দিতে পারছে।
