নিউজ পোল ব্যুরো: কলকাতা মেট্রোতে (Kolkata Metro) বিশেষ করে কবি সুভাষ–দক্ষিণেশ্বর লাইনে আত্মহত্যার ঘটনা ক্রমবর্ধমান হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল সাংসদ মালা রায় সংসদে তিনটি স্পষ্ট প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন—মেট্রোর প্ল্যাটফর্মে দরজা বসানোর কাজ কতটা অগ্রগতি করেছে, এই প্রকল্পের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, এবং কাজটি কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
মালার লিখিত প্রশ্নের জবাবে বুধবার কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রক চার পাতার একটি লিখিত ফিরিস্তি দিয়েছে। তবে তৃণমূল সাংসদের দাবি, নির্দিষ্ট প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া হয়নি। জবাবে রেলমন্ত্রক প্রথমেই উল্লেখ করেছে যে, প্ল্যাটফর্ম চওড়া করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা (space constraints) নেই। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, দরজা বসানোর জন্য কি চওড়া করার প্রয়োজন? নাকি মন্ত্রকের কাছে যথাযথ উত্তরই নেই? এরপর রেলমন্ত্রক সংক্ষেপে কলকাতা মেট্রোর ইতিহাস তুলে ধরেছে। জানানো হয়েছে, ১৯৭২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মেট্রোর কত কিলোমিটার পথ ছিল, আর ২০১৪–২০২৫ কতটা সম্প্রসারিত হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নতুন রুট যেমন জোকা–এসপ্ল্যানেড, নোয়াপাড়া–বারাসত , বরানগর–ব্যারাকপুর ইত্যাদির সমস্যা ও প্রকল্পের অগ্রগতির ফিরিস্তিও দেওয়া হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
প্রসঙ্গত, ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রোর প্রতিটি স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে দরজা রয়েছে। মাটির নীচের স্টেশনগুলিতে পূর্ণ দরজা , আর উপরের স্টেশনগুলিতে আংশিক দরজা রয়েছে। তবে প্রায়ই দেখা যায়, আত্মহত্যার ঘটনা এই আংশিক স্থাপনা থাকা স্টেশনগুলোতেও ঘটে। পরীক্ষামূলকভাবে কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে রেলিং বসানো হয়েছে, কিন্তু যাত্রীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তা কার্যকর নয়। সব মিলিয়ে, কলকাতা মেট্রোর পুরনো লাইনের সব স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম দরজা বসানোর সময়সীমা, বরাদ্দ এবং সম্পন্ন করার সময়কাল—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের কোনও সুনির্দিষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি, যা যাত্রী ও নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
