নিউজ পোল ব্যুরো: সংবেদনশীল মানুষের কাছে সমাজের বাস্তব পরিস্থিতি শুধু খবর নয়, তা গভীরভাবে অনুভব করার বিষয়। চারপাশে সাধারণ মানুষের সমস্যা, যন্ত্রণা ও লড়াই যদি হৃদয়ে নাড়া না দেয়, তাহলে প্রকৃত সৃষ্টিশীল কাজও সম্ভব হয় না। কেউ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন লেখার মাধ্যমে, কেউ আবার শিল্পকর্মে তুলে ধরেন সময়ের কথা। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়েও বিভিন্ন স্তরে প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে। শুধু রাজনৈতিক মঞ্চেই নয়, সৃষ্টিশীল মাধ্যমেও উঠে আসছে মানুষের ক্ষোভ ও উদ্বেগ।
এই প্রেক্ষাপটে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলম ধরেছেন প্রতিবাদের ভাষায়। তাঁর লেখা কবিতা ‘আমি অস্বীকার করি’ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কবিতার বিভিন্ন লাইনে তিনি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কষ্ট, ভয় এবং ক্ষোভের প্রতিফলন তুলে ধরেছেন। কবিতায় তিনি হঠকারী সিদ্ধান্ত, তালিকাভিত্তিক শাসন এবং ভয়ের পরিবেশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কবিতার একাধিক অংশে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়া নিয়ম এবং তার প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর লেখায় উঠে এসেছে মৃত্যুর ঘটনাগুলোকেও শুধুমাত্র পরিসংখ্যান হিসেবে না দেখে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার আবেদন। তিনি ইঙ্গিত করেছেন, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মধ্যে কখনও কখনও মানুষের বাস্তব সমস্যাগুলি আড়াল হয়ে যায়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
কবিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, সময় সব কিছু মনে রাখে। কে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, কে লড়াই করেছিল— সেই হিসাব ইতিহাস একদিন করবেই। মানুষের মর্যাদা ও সম্মানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তাও উঠে এসেছে তাঁর লেখায়।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই বিষয় নিয়ে একাধিক কবিতা লিখেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কবিতা রাজনৈতিক প্রতিবাদের পাশাপাশি সৃষ্টিশীল প্রতিক্রিয়ার নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে সামনে এসেছে।
