নিউজপোল ব্যুরো: শঙ্কর ঘোষাল বর্তমানে চর্চিত নাম। অভিনয়ে খুব বেশি সুযোগ না পেলেও বিতর্কে তিনি এখন চর্চিত। অভাব আর অত্যাচারে তিনি এবার মুখ খুললেন সংবাদমাধ্যমে। কিন্তু পরিবার বলছে উল্টো কথা। তিনি আদতে অভিনেত্রী রত্না ঘোষালের দাদা।
উত্তর কলকাতার গৌরী বাড়ি এলাকার অন্ধগলির দু কামরার ফ্ল্যাটে থাকেন শঙ্কর ঘোষাল ও তাঁর পরিবার। বোন রত্নার সঙ্গে শুধু মাসহারা টাকার সম্পর্ক। তাও রত্না আগে জানিয়েছেন শঙ্কর বোনের নামেই বদনাম করেন।

এক সময়ে সুপারহিট কালজয়ী ‘নহবৎ’ নাটকে অভিনয় করে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন শঙ্কর ঘোষাল। সেই নাটকে প্রধান চরিত্রে ছিলেন রত্না ঘোষাল ও সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বোনের হাত ধরেই শঙ্করের খ্যাতি। কিন্তু এরপর সেভাবে আর কাজ পাননি শঙ্কর। বেশিরভাগ ভৃত্যর চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেতেন তিনি। একেবারেই অকিঞ্চিতকর থেকে শূন্যে মিলিয়ে যান এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।
বর্তমানে আবার পরিবারের বিরুদ্ধে মুখ খুলে চর্চায় শঙ্কর ঘোষাল। তিনি জানালেন তাঁর স্ত্রী তাঁকে অত্যাচার করেন এবং ছেলে ও পুত্র তাঁর নাকে ঘুষি মেরে রক্ত ঝরিয়েছে। আদতে নাকি সবটাই মিথ্যে।
স্ত্রী ভারতী ঘোষাল বরং স্বামীর দ্বারা অত্যাচারিত। শঙ্করের ছেলে জানালেন ‘একসময় মদ খেয়ে এসে বাবা মাকে মারধর করত। সে এখন উল্টো সুর গাইছে। বরং আমরা বাবার দ্বারা অত্যাচারিত।’

শঙ্কর ঘোষালের ছেলে আরও জানান ‘বাবার অনিয়ন্ত্রিত জীবনের কারণে আমাদের এই অভাব। বাবার অত্যাচারে আমার বউ ঘর ছেড়েছে।’
তবে শঙ্করের চিকিৎসা করার টাকাও ঘোষাল পরিবারের কাছে নেই।
অন্যদিকে বোন রত্না ঘোষাল জানালেন ‘দাদার মাথাটা একেবারে খারাপ হয়ে গিয়েছে। ভুলভাল বকছে। ওর অভাব আছে ঠিকই কিন্তু ওর স্ত্রী অত্যাচার করার মানুষ নয়। আর আমার ভাইপো বা নাতি কেন মারধর করবে দাদাকে? এমন কিছু আঁচ পেলে তো আমি বুঝতাম ও সত্যি বলছে। এক্ষেত্রে ডাঁহা মিথ্যে বলছে দাদা। পুরোটাই ওর সাজানো ঘটনা। আমি তো মাসহারা দিই দাদাকে। তারপরও দাদা আমার নামে বদনাম করে অন্য লোকের কাছে।’
