নিউজ পোল ব্যুরো:ভারতের জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য ফাস্ট্যাগ (FASTag annual pass price 2026) বার্ষিক পাসের নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে, যা আগামী ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ এই সংস্থাটি জানিয়েছে যে, অ-বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের জন্য বার্ষিক পাসের খরচ এখন থেকে কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে যেখানে এই পাসের মূল্য ছিল ৩০০০ টাকা, নতুন নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহকদের এখন থেকে ৩০৭৫ টাকা প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ, বার্ষিক পাসের ক্ষেত্রে ৭৫ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে সাধারণ মানুষকে। মূলত জাতীয় সড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়েগুলোতে যাতায়াত আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ পাস ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
এই বার্ষিক পাসের ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও শর্তাবলী রয়েছে। কোনো গাড়ির মালিক যদি এই পাসটি গ্রহণ করেন, তবে তিনি এক বছরের জন্য এটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এই পাসের আওতায় এক বছরে সর্বোচ্চ ২০০ বার জাতীয় সড়কের নির্দিষ্ট টোল প্লাজ়া অতিক্রম করার সুযোগ পাওয়া যাবে। যদি কোনো ব্যবহারকারীর এক বছর সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ২০০ বার যাতায়াত সম্পন্ন হয়ে যায়, তবে তাকে পুনরায় নির্ধারিত মূল্য দিয়ে পাসটি পুনর্নবীকরণ বা রিনিউ করতে হবে। এই সুবিধাটি পেতে হলে গাড়ির মালিকের একটি সক্রিয় ফাস্ট্যাগ অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক এবং এটি শুধুমাত্র অ-বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত গাড়ির জন্যই প্রযোজ্য।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশে ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহের এই ব্যবস্থা দিন দিন অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ভারতে প্রায় ৫.৯ কোটি সক্রিয় ফাস্ট্যাগ (FASTag annual pass price 2026) গ্রাহক রয়েছেন এবং তার মধ্যে ৫০ লক্ষেরও বেশি মানুষ নিয়মিতভাবে এই বার্ষিক পাস পরিষেবা ব্যবহার করছেন। বর্তমানে ভারতের জাতীয় সড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েগুলোতে অবস্থিত প্রায় ১১৫০টি টোল প্লাজ়ায় এই বার্ষিক পাস কার্যকর রয়েছে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, এই পাসটি সমস্ত সাধারণ টোল প্লাজ়ায় বৈধ নয়; যেখানে এই পাস কার্যকরী নয়, সেখানে ফাস্ট্যাগের সাধারণ ব্যালেন্স থেকেই টাকা কাটা হয়। যারা নিয়মিত জাতীয় সড়ক ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এই বার্ষিক পাসটি অত্যন্ত সুবিধাজনক কারণ এতে বারবার টোল দেওয়ার ঝামেলা ও বাড়তি খরচ উভয়ই এড়ানো সম্ভব। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে গ্রাহকরা সহজেই এই পাস সংগ্রহ বা এর মেয়াদ বাড়াতে পারেন।
