Mid Day Meal: মিড ডে মিলে রান্না করা খাবার বাধ্যতামূলক, প্রমাণ হিসেবে পাঠাতে হবে ছবিও

রাজ্য শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: পশ্চিম এশিয়ার অস্থির যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়ছে দেশের এলপিজি গ্যাস সরবরাহে। একদিকে সাধারণ মানুষের ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছনো নিয়ে টানাপড়েন, অন্যদিকে স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল চালু রাখতে প্রশাসনের কড়া নির্দেশ-এই দুই বিপরীত ছবি এখন স্পষ্ট।

আরও পড়ুন: WB Election 2026 : ভবানীপুরে শুভেন্দু প্রার্থী ঘোষণা হতেই , ‘লোডশেডিং’ ইস্যুতে তীব্র কটাক্ষ প্রতীক উরের!

কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলার স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষকদের কাছে হোয়াটসঅ্যাপ মারফত নির্দেশ পৌঁছেছে, মিড ডে মিলে কোনওভাবেই শুকনো খাবার দেওয়া যাবে না। সার্কল ইন্সপেক্টররা জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের জন্য রান্না করা খাবারই দিতে হবে। প্রয়োজনে খিচুড়ি পরিবেশন করা যেতে পারে। শুধু তাই নয়, খাবার বিতরণের প্রমাণ হিসেবে পড়ুয়াদের খাওয়ার ছবি তুলে পাঠানোও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে পরিষেবার স্বচ্ছতা বজায় রাখাই মূল লক্ষ্য। যুদ্ধের আগে দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫ লক্ষ গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং হতো, যার মধ্যে প্রায় ৫০ লক্ষ সরবরাহ করা সম্ভব হতো। কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই বুকিং হঠাৎ বেড়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ। যদিও সাম্প্রতিক দিনে সেই চাপ কিছুটা কমেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ৮৮ লক্ষের বেশি বুকিং হলেও পরবর্তী দু’দিনে তা কমে ৭৭ লক্ষ এবং ৭০ লক্ষে নেমে এসেছে। অনলাইন বুকিংয়ের প্রবণতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের মতে, একদিকে বুকিং বেড়েছে দেড় থেকে দুই গুণ, অন্যদিকে সরবরাহ কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ। ফলে চাহিদা ও জোগানের মধ্যে বড় ফারাক তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্তরে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহ হঠাৎ সীমিত করে দেওয়ায় হোটেল, রেস্তোরাঁ ও শিল্প সংস্থাগুলি বাধ্য হয়ে গৃহস্থালির সিলিন্ডারের উপর নির্ভর করতে শুরু করে। এর ফলে ঘরোয়া সিলিন্ডারের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে, একাধিক সংযোগ থাকা পরিবারগুলির কাছ থেকে অতিরিক্ত সিলিন্ডার বেশি দামে কিনে নিচ্ছে বাণিজ্যিক সংস্থাগুলি। বর্তমানে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের সরবরাহ এখনও সীমিত। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির অভিযোগ তুলেছেন।