Uttarpradesh: উত্তরপ্রদেশে ডিমের মেয়াদ শেষের তারিখ উল্লেখ বাধ্যতামূলক করল যোগী সরকার

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল উত্তরপ্রদেশ সরকার (Uttarpradesh)। খুব শিগগিরই বাজারে ডিম কিনতে গেলে আর আন্দাজের উপর নির্ভর করতে হবে না ডিমের (Eggs) গায়েই স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে কবে তা উৎপাদিত হয়েছে এবং কতদিন পর্যন্ত তা খাওয়ার উপযোগী।

আরও পড়ুন:WB Election 2026 : ভবানীপুরে শুভেন্দু প্রার্থী ঘোষণা হতেই , ‘লোডশেডিং’ ইস্যুতে তীব্র কটাক্ষ প্রতীক উরের!

সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের (Uttarpradesh) প্রতিটি ডিমে উৎপাদনের তারিখ এবং ‘এক্সপায়ারি ডেট’ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এর ফলে পুরোনো বা নষ্ট ডিমকে নতুন বলে বিক্রি (Uttarpradesh) করার সুযোগ অনেকটাই কমে যাবে। ক্রেতারা নিজেরাই দেখে নিতে পারবেন ডিমটি কতটা তাজা এবং কতদিন ব্যবহার করা যাবে।

প্রাণীসম্পদ দফতর ও খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই নিয়ম চালু করা হচ্ছে। আধিকারিকদের মতে, ডিম সরাসরি মানুষের খাদ্যতালিকার অংশ হওয়ায় এর গুণমান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এতদিন অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাহকরা বুঝতে পারতেন না ডিমটি কতদিনের পুরোনো, কিন্তু এই নতুন ব্যবস্থায় সেই সমস্যার সমাধান হবে।

ডিমের সংরক্ষণ ক্ষমতা কতদিন?

সাধারণ ঘরের তাপমাত্রায় (প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ডিম প্রায় দুই সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে ঠান্ডা পরিবেশে (২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) রাখলে তা প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকতে পারে। সঠিক সংরক্ষণের অভাবে এতদিন ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যেত, কিন্তু এখন তারিখ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি যাচাই করা সহজ হবে।

নিয়ম না মানলে কড়া শাস্তি

এই নির্দেশ অমান্য করলে বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ডিম বাজেয়াপ্ত করে তা নষ্ট করে ফেলা হতে পারে বা ‘খাওয়ার অনুপযোগী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারিও চালানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

কোল্ড স্টোরেজের সীমাবদ্ধতা

রাজ্যে বর্তমানে কোল্ড স্টোরেজের সংখ্যা খুবই কম—মূলত আগ্রা ও ঝাঁসিতে বড় সুবিধা রয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা বিধি অনুযায়ী ডিম ও সবজি একসঙ্গে সংরক্ষণ করা যায় না, কারণ তাদের জন্য ভিন্ন তাপমাত্রা প্রয়োজন। তবে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অবকাঠামোর অভাব দেখিয়ে নিয়ম ভাঙা যাবে না।

ক্রেতাদের জন্য বড় সুবিধা

এতদিন ডিমের সতেজতা আন্দাজের উপর নির্ভর করত, যা অনেক সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করত। এখন ডিমের গায়েই উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ শেষের দিন লেখা থাকায় ক্রেতারা আরও সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং নিরাপদ খাবার বেছে নিতে পারবেন।

সব মিলিয়ে, এই পদক্ষেপ শুধু একটি নিয়ম নয় এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা সুরক্ষার দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole