Humayun Kabir candidate list:হুমায়ুনের দলে ১৫৩ প্রার্থী ঘোষণা, নন্দীগ্রাম-ভবানীপুরে চমক!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বড় রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিলেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir candidate list)। তাঁর দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) রবিবার একযোগে ১৫৩ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের নির্বাচনে মোট ১৮২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে তারা।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/03/22/ajay-nanda-election-warning-bhangar-west-bengal-election-security-2026/

প্রকাশিত তালিকায় একাধিক পরিচিত ও প্রভাবশালী মুখের নাম রয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর-এও প্রার্থী দিয়েছে এজেইউপি। নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে শহিদুল হক এবং ভবানীপুর কেন্দ্রে পুনম বেগমকে প্রার্থী করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

মুর্শিদাবাদ জেলায় দলীয় প্রভাব আরও জোরদার করতে নিজেই ময়দানে নেমেছেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir candidate list)। জেলার রেজিনগর ও নওদা—এই দুই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। জেলার মোট ২২টি আসনের মধ্যে আপাতত ১০টিতে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে, বাকি আসনগুলিকে ঘিরে জোট সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

এদিকে রানিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছে ইয়াসির হায়দারের নাম, যিনি রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম-এর প্রাক্তন জামাই বলে পরিচিত। পাশাপাশি, ভরতপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে পীরজাদা খোয়ায়েব আমিনকে।

যদিও এখনও পর্যন্ত সিপিএম বা আইএসএফ-এর সঙ্গে কোনও জোট চূড়ান্ত হয়নি, তবুও কিছু আসনে প্রার্থী ঘোষণা না হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে জোটের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষত ইসলামপুর কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা না হওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল থেকে টিকিট না পাওয়া বর্ষীয়ান নেতা আবদুল করিম চৌধুরী এই দলে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে, এবং সেক্ষেত্রে তাঁকেই ওই কেন্দ্রের প্রার্থী করা হতে পারে।

দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২৫ মার্চ কলকাতা থেকে বাকি প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে ২৮ মার্চ প্রকাশিত হবে দলের নির্বাচনী ইস্তেহার। সেখানে সুস্বাস্থ্য, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার মতো বিষয়গুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।