Smriti Irani : ইলিশ নিয়ে তর্ক তুঙ্গে! আমিষ বিতর্কে তৃণমূলকে কড়া জবাব স্মৃতি ইরানির

breakingnews রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: রাজনীতিতে খাদ্যাভ্যাসকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে একেবারে তুঙ্গে। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের আমিষ খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে এমনটাই অভিযোগ তুলে আক্রমণ শানাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস (BJP vs TMC)। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই পাল্টা বার্তা দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। তার সাফ বক্তব্য, ‘ইলিশ মাছ নিয়ে আসুন, আমি নিজেই বেছে খাইয়ে দেব।’ বুধবার বিজেপির উদ্যোগে ‘মাতৃশক্তি ভরসা কার্ড’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বাংলার খাদ্যসংস্কৃতি নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দেন। একই সঙ্গে রাজ্যে মাছ উৎপাদন কম থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, বাংলার চাহিদা মেটাতে এখনও অন্য রাজ্য থেকে মাছ আমদানি করতে হয়, যা রাজ্যের কৃষি ও মৎস্যনীতির ব্যর্থতাকেই তুলে ধরে।

আরও পড়ুন: Samrat Choudhary : বিহারে বড় রদবদল! মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ সম্রাট চৌধুরীর, প্রথমবার BJP নেতৃত্বে সরকার

এই সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও সরব হন একাধিক ইস্যুতে। তিনি ‘লভ জিহাদ’-এর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “এই ধরনের ঘটনা এবং অত্যাচার নির্মূল করতে হবে।” পাশাপাশি বাঙালি হিন্দুদের ‘হোমল্যান্ড রক্ষা’র ডাক দেন তিনি, যা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এদিন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্পষ্ট করেন, খাদ্যাভ্যাস নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তার মতে, এই বিতর্কের বদলে রাজ্যের নারী নিরাপত্তা, দুর্নীতি এবং উন্নয়নমূলক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, পানিহাটি থেকে বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথকে তৃণমূল কর্মীরা হেনস্তা ও সামাজিকভাবে বয়কট করার চেষ্টা করছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

অন্যদিকে, বাংলায় প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদও (Narendra Modi) মৎস্য উৎপাদন প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন। তার দাবি, দেশে গত ১১ বছরে মাছ উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও বাংলা সেই অগ্রগতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। তবে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তার পাল্টা দাবি, বাংলার খাদ্যসংস্কৃতি ও মানুষের পছন্দকে বদলানোর কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আমিষ খাবারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা ভোটের আগে আরও তীব্র হচ্ছে, যা বাংলার নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।